জুন-জুলাইয়ে শুরু হচ্ছে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’র দামামা বেজে গেছে এরই মধ্যে। একই সময়ে চলবে ক্রিকেটের এক বৈশ্বিক টুর্নামেন্টও। ইংল্যান্ডে হবে ১২ দলের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট শেষে হবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) বার্ষিক সম্মেলন।
স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ শহরে আইসিসির বার্ষিক সম্মেলন হবে বলে ক্রিকবাজ গত রাতে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। ৮ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত এই সভা হতে পারে বলে জানা গেছে। কদিন আগে এক অনলাইন বোর্ড সভায় বেছে নেওয়া হয়েছে এডিনবার্গকে। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর সভাপতিত্বে হবে এই বার্ষিক সম্মেলন। আইসিসির সদস্যরা ইংল্যান্ড থেকে যাবেন স্কটল্যান্ডে। বার্ষিক সম্মেলনের আগে ১২ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল হবে লর্ডসে।
নিয়মিত আলোচনার পাশাপাশি এডিনবার্গের সম্মেলনে সহযোগী দলগুলোর বোর্ড পরিচালক নির্বাচন করা হবে। সহযোগী দলগুলো থেকে তিন সদস্য নির্বাচিত হবেন ১৭ সদস্যের বোর্ডে। এই নির্বাচনে বিভিন্ন সহযোগী দলের একাধিক প্রার্থী অংশ নিতে পারেন।
রুয়ান্ডা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান স্টিফেন মুসালে, ক্রিকেট নামিবিয়ার প্রেসিডেন্ট রুডি ফন ফুরেন, বারমুডার নিল স্পাইট, যুক্তরাষ্ট্রের শঙ্কর রঙ্গনাথনের পাশাপাশি বর্তমান প্রধান নির্বাহীদের মধ্যে গুরুমূর্তি পালানি, বর্তমান সহযোগী পরিচালক মুবাশশির উসমানি, মাহিন্দা ভাল্লিপুরাম ও ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা আছেন সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায়। যাঁরা নির্বাচিত হবেন, তাঁদের মেয়াদ হবে দুই বছর।
এদিকে, আইসিসি তাদের বোর্ড সভাটি ভার্চুয়ালি আয়োজন করেছে, এর আগে কাতারের দোহায় ২৫-২৭ মার্চ আইসিসির এক সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল। এক মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে ভারত ছাড়তে দেরি হয়েছিল। সদ্য শেষ হওয়া আইসিসির এই ইভেন্টে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত।