মনে রাখার মতো একটা দিনই গেল নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে। একই দিন টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেছিল কিউইদের নারী এবং পুরুষ ক্রিকেট দল। উভয় দলই খেলতে নেমেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ভেন্যুও একই; মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের বে ওভাল। এমন এক দিনে নারী দল জিতলেও অসহায় আত্মসমর্পন করেছে নিউজিল্যান্ড পুরুষ দল।
বে ওভাল আজ সকালে দক্ষিণ আফ্রিকা নারী দলকে ৮০ রানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। একই মাঠে কিছুক্ষণ পর শুরু হওয়া ম্যাচে প্রোটিয়া পুরুষ দলের সঙ্গে ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি ব্ল্যাক ক্যাপরা। তাদের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে কেশব মহারাজের দল। এই জয়ে যেন নারী দলের হয়ে প্রতিশোধ-ই নিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
নিউজিল্যান্ডের ইনিংস শেষেই কার্যত জয়ের সুবাস পেতে শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সফরকারী বোলারদের তোপের মুখে পড়ে ১৪.৩ ওভারে ৯১ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকেরা। বোলারদের তৈরি করে দেওয়া ভীতের ওপর দাঁড়িয়ে অনায়াসেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩ উইকেট হারিয়ে ২০ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে তারা।
মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা ভালো হয়নি। ২৮ রানেই টনি ডি জর্জি এবং রুবিন হারমানের উইকেট হারায় তারা। এরপর জেসন স্মিথও বিদায় নেন। এই তিনজনের বিদায়ের প্রভাব পড়তে দেননি কনর এস্টারহুইজেন; দল জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি। ৪৫ রানে আসে তাঁর ব্যাট থেকে। এস্টারহুইজেনের সঙ্গী ডিয়ান ফরেস্টার ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পতন হওয়া উইকেট তিনটি ভাগাভাগি করে নেন কাইল জেমিসন, জাকারি ফোকস এবং মিচেল সান্টনার।
এর আগে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ড নিজেদের ইনিংসের শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। ৩৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে মহা বিপর্যয়ে পড়ে তারা। শুরুর সে ধাক্কা সামলে আর লড়াইয়ের পুঁজি দাঁড় করাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। সাতে নামা জেমস নিশাম এনে দেন সর্বোচ্চ ২৬ রান। কোল ম্যাকনফি এবং সান্টনার করেন সমান ১৫ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন মোকোয়েনা। জেরাল্ড কোটজে, ওটনিল বার্টম্যান এবং মহারাজের শিকার দুটি করে উইকেট।