২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) হারের বৃত্তে আটকে আছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিজেদের সবশেষ ম্যাচে নাসির হোসেনের দারুণ ব্যাটিংয়ে ঢাকা ক্যাপিটালসের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে নবাগত দলটি। টুর্নামেন্টে এটা তাদের টানা পঞ্চম হার।
নোয়াখালীর বিপক্ষে ঢাকাকে জেতানোর পথে ৫০ বলে ১৪ চার ও ২ ছক্কায় ৯০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন নাসির। চলতি বিপিএলের আজই প্রথম তিনে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। ওপরের ব্যাটিংয়ে নেমে খেললেন টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলার পর আক্ষেপের সুর শোনা গেল নাসিরের কণ্ঠে। ওপরের দিকে ব্যাটিং করতে না পারায় হতাশ তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে নাসির বলেন, ‘আগে তো কেউ তিনে নামার সুযোগ দেয়নি। পারফর্ম করলে তো ভালো লাগবেই। টি-টোয়েন্টিতে আমার মনে হয় ওপরে রান করা একটু সহজ। পাওয়ারপ্লেতে ৯ জন ফিল্ডার ভেতরে থাকে। একটু ঝুঁকি নিলে যেভাবে রান করা যায় পাওয়ারপ্লের পর সেটা সহজ হয় না। আমি সব সময় পাওয়ারপ্লেতে ব্যাট করা উপভোগ করি। আজকে চেষ্টা করেছি যত রান করা যায়। বলে ব্যাটে আসছিল। এরপরে হয়তো সেভাবে রান করা যায় না। চেষ্টা করেছি পাওয়ারপ্লের মধ্যে নতুন বল থাকতে যত বেশি রান করে নেওয়া যায়।’
নোয়াখালীর বিপক্ষে কীভাবে তিনে ব্যাট করতে নেমেছিলেন সে প্রসঙ্গে নাসির বলেন, ‘অধিনায়ক সিদ্ধান্ত (মোহাম্মদ মিঠুন) নিয়েছে। বাঁহাতি কেউ আউট হলে হয়তো ইরফান শুক্কুর যেত, ওদের ডানহাতি বাঁহাতি দুই স্পিনারই ছিল। আমরা একসঙ্গে দুজন ডানহাতি বা বাঁহাতি ব্যাটার ক্রিজে থাকুক চাইনি।’
এখনই ক্রিকেট ছাড়তে চান না নাসির, ‘এখনই শেষ হয়ে যাবে সেটা বলব না। আমি সুস্থ থাকলে আশা করি আরও ৫-৬ বছর ক্রিকেট খেলতে পারব। সব সময় উইকেট বুঝে ব্যাটিং-বোলিং করার চেষ্টা করি।’