হোম > খেলা

একজন বেশি নিয়ে খেলেও ৯০ মিনিটে জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক    

কোনো গোল করতে পারেননি মেসি। ছবি: এএফপি

মাত্র ১০ মিনিটেই এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এরপর আরও ৮০ মিনিটের বেশি সময় ছিল সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার। কিন্তু সেই সময়টুকু যত গড়িয়েছে, ম্যাচ ততই আর্জেন্টিনার হাতছাড়া হয়েছে। সুইজারল্যান্ড ধৈর্য হারায়নি, বরং চাপ বাড়িয়েছে।শেষ পর্যন্ত ৬৭ মিনিটে দান এনদোয়ের গোলে সমতাও ফিরিয়েছে। ৭২ মিনিটে ভিএআরের সিদ্ধান্তে ব্রিল এমবোলো লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় তারা। তবে একজন বেশি নিয়ে খেলার সুবিধা নির্ধারিত সময়ে কাজে লাগাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ফলে কানসাস সিটির কোয়ার্টার ফাইনাল গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।

শুরুটা অবশ্য ছিল আর্জেন্টিনার পরিকল্পনামাফিক। ১০ মিনিটে লিওনেল মেসির কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক হেডে সুইজারল্যান্ডের জাল খুঁজে নেন আলেক্সিস মাক আলিস্তার।

গোলের পরও অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠে দখল বাড়াতে থাকে সুইজারল্যান্ড। প্রথমার্ধে জিব্রিল সোর দূরপাল্লার শট সহজেই সামলান এমিলিয়ানো মার্তিনেস। বিরতির পর সেই চাপ আরও বেড়ে যায়। ৬০ মিনিটে ব্রিল এমবোলোর হেড, ৬৫ মিনিটে এনদোয়ের শক্তিশালী হেড এবং পরের মিনিটেই জাকার দূরপাল্লার শট—তিনবারই আর্জেন্টিনাকে রক্ষা করেন মার্তিনেস। কিন্তু ৬৭ মিনিটে আর পারেননি। রিকার্দো রদ্রিগেসের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ার পর বক্সে ঢুকে কঠিন কোণ থেকে ডান পায়ের শটে সমতা ফেরান এনদোয়ে।

পাঁচ মিনিট পর ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত। প্রথমে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি জোয়াও পেদ্রো সিলভা পিনেইরো। কিন্তু ভিএআরের পর রিপ্লে দেখে তিনি সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন। দেখা যায়, পারেদেসের বিরুদ্ধে কোনো ফাউলই ছিল না; বরং ফাউল আদায়ের জন্য অভিনয় করেছিলেন ব্রিল এমবোলো। পারেদেসের কার্ড বাতিল করে এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। প্রথমার্ধের ৪৪ মিনিটেও সতর্ক হওয়া সুইস স্ট্রাইকার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তেই ১০ জনে নেমে আসে সুইজারল্যান্ড।

একজন বেশি নিয়ে খেলার সুবিধা পাওয়ার পর আর্জেন্টিনা যেন ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৭৮ মিনিটে নিকো গনসালেস, ৮৫ মিনিটে লাউতারো মার্তিনেসকে নামিয়ে আক্রমণে নতুন গতি আনেন স্কালোনি। ৮৪ মিনিটে পারেদেসের বাড়ানো বল বুকে নামিয়ে মেসির চিপ শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন গ্রেগর কোবেল। ৮৯ মিনিটে নিকো গনসালেসের বাড়ানো বলে একেবারে কাছ থেকে মাক আলিস্তারের হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে লাউতারোর হেড থেকে সুযোগ তৈরি হলেও এনসো ফের্নান্দেস বলের নাগাল পাননি। আর শেষ মুহূর্তে কর্নার থেকে লিসান্দ্রো মার্তিনেসের দৃষ্টিনন্দন সিজার কিক এক হাতে ঠেকিয়ে আবারও সুইজারল্যান্ডকে বাঁচান কোবেল।

শেষ বাঁশি বাজতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে ১০ জনের সুইজারল্যান্ড, আর আর্জেন্টিনার মুখে ফুটে ওঠে হতাশা। এক সময় যে ম্যাচটি সহজ জয় বলে মনে হচ্ছিল, সেটি এখন আরও ৩০ মিনিটের লড়াই।

‘আর্জেন্টিনা একটি ফাউলেও শাস্তি পায়নি’, এবার বিস্ফোরক সুইস ডিফেন্ডার

আর্জেন্টিনা সেমিতে ওঠায় বিশ্বকাপে এমন ঘটনা এবারই প্রথম

‘এই নিয়ম কীভাবে বানানো হয়েছে জানি না’, লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ সুইজারল্যান্ড কোচ

আজ ভাগ্য আমাদের পাশে ছিল, বলছেন আর্জেন্টিনা কোচ

অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইসদের হারিয়ে সেমিতে আর্জেন্টিনা

আঙুল উঁচিয়ে রেফারিকে মেসি বললেন, ‘আমাকে সম্মান দেখিয়ে কথা বলুন’

চোখে রক্ত নিয়েও খেলে যাচ্ছেন মেসি

সমতায় ফিরেই ১০ জনের দলে পরিণত সুইজারল্যান্ড

কেন কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলছে আর্জেন্টিনা

ইতালির ফুটবল পুনরুদ্ধারে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারকে নিয়োগ