বার্সেলোনা-আতলেতিকো মাদ্রিদ শেষ হওয়ার দুই দিন পেরিয়ে গেছে। তবে আলোচনা এখনো চলছে। সেই ম্যাচে রেফারি ইস্তেফান কোভাকসের বিতর্কিত রেফারিং ম্যাচের ফল বদলে দিয়েছে বলে দাবি বার্সেলোনার। কাতালানরা এটা নিয়ে উয়েফার কাছে অভিযোগ করেছে।
ন্যু ক্যাম্পে পরশু রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বার্সেলোনাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। সেই ম্যাচে দশ জনের দলে পরিণত হয়েছিল বার্সা। সেটা আলোচিত ইস্যু নয়। বিতর্কিত ঘটনা ঘটে ম্যাচের ৫৪ মিনিটে। আতলেতিকো মাদ্রিদের গোলরক্ষক হুয়ান মুসো বলে লাথি দেওয়ার পর হ্যান্ডবল করেন দলটির ডিফেন্ডার মার্ক পিউবিল। এই ঘটনায় বার্সাকে পেনাল্টি দেওয়া তো দূরে থাক, পিউবিলকে লাল কার্ড দেখানো হয়নি। এই বিতর্কিত রেফারিং নিয়ে উয়েফার কাছে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে নিশ্চিত করেছে বার্সা।
পিউবিলের ঘটনায় বার্সার ফুটবলাররা পেনাল্টির আবেদন করলেও সাড়া দেননি রেফারি ইস্তেভান কোভাকস। এমনকি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির মাধ্যমে যাচাই করেও দেখা হয়নি। গতকাল এক বিবৃতিতে বার্সা বলেছে, ‘বার্সেলোনা মনে করে যে এই সিদ্ধান্তটি (পেনাল্টি না দেওয়া) এবং এ ব্যাপারটি ভিএআরের মাধ্যমে যাচাই না করাটা বড় ভুল। এটা ম্যাচের ফলে অনেক বড় প্রভাব রেখেছে।’
বিতর্কিত রেফারিং নিয়ে উয়েফার কাছে দেওয়া অভিযোগপত্রে বার্সেলোনার তিনটি দাবি রয়েছে। এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করা, রেফারি ও ভিএআর কক্ষের মধ্যকার কথাবার্তা ও ভুল স্বীকার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করে কাতালানরা।
বার্সেলোনার বিপক্ষে আতলেতিকো ডিফেন্ডার পিউবিল আগে একটি হলুদ কার্ড দেখেও হ্যান্ডবল করে পার পেয়ে যান বলে পরশু ম্যাচ শেষে দাবি করেছিলেন বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিক। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সেদিন বার্সা কোচ বলেছিলেন, ‘আমার কাছে এটা স্পষ্ট লাল কার্ড। এ ছাড়া দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে পেনাল্টিও দেওয়া যেতে পারত। কেন এটা পর্যালোচনা করে দেখা হয়নি, সেটা ভিএআরই ব্যাখ্যা করতে পারবে।’
ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে বার্সেলোনা ২-০ গোলে হেরেছে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে। ৪৫ ও ৭০ মিনিটে আতলেতিকোর গোল দুটি করেন আলভারেজ ও আলেক্সান্ডার সরলথ। যেখানে সরলথকে গোল করতে সহায়তা করেন দলটির ডিফেন্ডার মাত্তেও রুগারি। ১৪ এপ্রিল নিজেদের মাঠ ওয়ান্দাও মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে আতলেতিকো-বার্সা।