যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় আনার ঘোষণা দেন আমিনুল হক। ৩০ মার্চ সকাল ১০টায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রাথমিকভাবে ৫০০ ক্রীড়াবিদের কথা বললেও প্রথম ধাপে ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে ১২৯ ক্রীড়াবিদকে। যেখানে আপাতত থাকছেন না ক্রিকেটার কিংবা ফুটবলাররা।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আজ সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু জাতীয় পর্যায়ে যারা বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন, তারাই পাবেন। আরেকটা বিষয় রয়েছে, আমরা এই যে জাতীয় পর্যায়ে যাদেরকে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করব এইটা কিন্তু চার মাস পর পর আমরা রিভিউ করব। তাদের পারফরম্যান্সের ওপরে নিশ্চিত করেই কিন্তু সেটা সংযোজন-বিয়োজন হবে। তারা যদি তাদের সেই পারফরম্যান্স ধরে রাখে তারা কন্টিনিউ করবে, যদি কেউ পারফরম্যান্স থেকে সরে যায় তখন তারা বাদ পড়ে যাবে।’
প্রথম ধাপে বেতন পাবেন আর্চারি, বক্সিং, জিমন্যাস্টিকস, সাঁতার, ভারোত্তোলন, উশু, প্যারা অ্যাথলেটিকস, কারাতে, সেপাক তাকরো, টেবিল টেনিস, কাবাডি, ভলিবল, বাক্সেটবল, ব্রিজ, ফুটসালের ক্রীড়াবিদরা।
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে আরও তালিকা করা হবে বলে জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটাররা অত্যন্ত ফাইন্যান্সিয়ালি সলভেন্ট। ক্রিকেটারদের বিষয় নিয়ে আমরা পরবর্তীতে ভাববো। আমরা আপাতত ফুটবল থেকে শুরু করে আমাদের যেসকল ইভেন্টগুলো বা যে সকল ক্রীড়াবিদরা অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে তাদেরকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তাদেরকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।’