হোম > রাজনীতি

২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদক মুখপাত্রের বক্তব্য প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা: আসিফ মাহমুদ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মুখপাত্রের বক্তব্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় তিনি আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

আজ বুধবার রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান আসিফ মাহমুদ।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দুদকের মুখপাত্র আজকে বক্তব্য দিয়েছেন যে, আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে, এই বক্তব্য যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদকের মুখপাত্র প্রত্যাহার না করেন এবং গণমাধ্যমে তাঁর বক্তব্যের বরাত দিয়ে যে নিউজগুলো হয়েছে, সেই নিউজগুলো দুদক দায়িত্ব নিয়ে না সরায়, তাহলে আমি দুদকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

এনসিপি মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে মানহানির যেসব ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেসব অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে দুদককে এ ঘটনায় ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘যতটা আয়োজন করে আমার মানহানি করা হয়েছে, ততটা আয়োজন করেই তাদের এই বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে।’

দুদকের অভিযোগের বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘দুদকের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ আসতে পারে, তবে সব অভিযোগের তদন্ত হয় না। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা বা শক্ত কোনো ভিত্তি পাওয়া গেলে তদন্ত শুরু করা হয়।’

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমি অবশ্যই দুদকের অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করছি। দুইটা অভিযোগের মধ্যে একটা হচ্ছে কোর্টের অর্ডার আমি বাস্তবায়ন করেছি। তাহলে শুধু কোর্টের অর্ডার বাস্তবায়নের বিষয়ে তদন্ত হবে? আরেকটা হচ্ছে পিএসসি। একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। পিএসসির তালিকা অনুযায়ী যে পদ্ধতিতে দেওয়া হয়েছে, সেটাই করা হয়েছে।’

আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, দুটি বিষয়ই সচিব পর্যায়ে নিষ্পত্তিযোগ্য ছিল এবং বিষয়গুলো তাঁর কাছে আসেনি। সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব তাঁর ওপর না থাকলেও তাঁকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত করে মানহানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ আসিফ মাহমুদের।

এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘এটার জন্য আমাকে যে মানহানি করা হলো, সেটা তো আমি অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ করছি। আমি মনে করছি, প্রক্রিয়াটিকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে এবং দুদককে আবারও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে বিরোধী দল ও মতকে দমন করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।’