হোম > রাজনীতি

গণপরিষদের অ্যাজেন্ডা এনে নতুন কিছু প্রভোক করছেন, সরকারকে সিপিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। ফাইল ছবি

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবনায় গণপরিষদের অ্যাজেন্ডা এনে নতুন কিছুকে প্রভোক বা উসকে দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। আজ রোববার দুপুরে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে সংস্কার নিয়ে লিখিত মতামত জমা দিয়েছে সিপিবি। পরে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন দলটির এ নেতা।

সিপিবি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো স্প্রেডশিটে টিক চিহ্নের অংশে কোনো মতামত দেয়নি বলেও জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। তিনি বলেন, ‘তারা (ঐকমত্য কমিশন) বাস্তবায়নের জন্য বলছে- গণপরিষদ করবে কি- করবে না! আমরা মনে করি- এ আলোচনা এখন কেন? কারণ, গণপরিষদ তো আমাদের অ্যাজেন্ডা নয়। আদৌ গণপরিষদ করব কি করব না, এটা তো ঠিকই হয়নি। কিন্তু এ প্রশ্নপত্র করার মধ্য দিয়ে আপনি নতুন কিছুকে প্রভোক করছেন।’

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের অনেকগুলো প্রস্তাবে সিপিবি একমত হলেও, কিছু প্রস্তাবে তারা মৌলিকভাবে দ্বিমত পোষণ করে। দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অনেকগুলো প্রস্তাবের বিকল্প প্রস্তাব রয়েছে। কিছু প্রস্তাব একেবারে নাকচ করে দেওয়াও আছে। কিন্তু এ কাজগুলোর করার উপযুক্ত পদ্ধতি টিক চিহ্ন দিয়ে করা নয়। উপযুক্ত পদ্ধতি হচ্ছে আলাপ-আলোচনা করা।’

কমিশনের ১৬৬টি প্রস্তাবে অনেক কিছু অস্পষ্ট বলে মনে করে সিপিবি। দলটির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘এটার অনেক কিছুতে যদি আমরা হ্যাঁ ও না এর মধ্যে থাকি, সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির জায়গায় যাবে।’

সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবনা প্রসঙ্গে প্রিন্স বলেন, ‘বাংলাদেশের নাম বাংলায় নতুন করে লেখার প্রস্তাবকে অপ্রয়োজনীয় ও অহেতুক বলে মনে করে সিপিবি।’

সিপিবির এ নেতা আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত সংবিধানে অনেক অসম্পূর্ণতা আছে তা দূর করতে হবে। সংস্কার করতে হবে, সিপিবি এটা মনে করে। যা মুক্তিযুদ্ধের চার মূলনীতি ঠিক রেখেই হতে হবে।’

সংস্কার করার মূল দায়িত্ব জনগণের উল্লেখ করে সিপিবির এ নেতা বলেন, ‘এ জন্য জনগণকে সংযুক্ত করতে হবে। এর জন্য, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য, যা যা সংস্কার প্রয়োজন তা আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আমরা যতটুকু ঐকমত্য হতে পারি অথবা ঐকমত্য না হলেও আলোচনা যতটুকু হলো এটি নির্বাচিত সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। যাতে করে তারা জনগণের মতামত নিয়ে ভবিষ্যতে এই সংস্কারের কাজকে এগিয়ে নিতে পারে।’

প্রিন্স বলেন, ‘নির্বাচিত পার্লামেন্টই হচ্ছে ক্ষমতার উৎস। জনগণের প্রতিনিধি তারা। আমাদের পরিষ্কার কথা- সংবিধান সংশোধন। বাংলাদেশের বাস্তবতায় এখন সংবিধান নতুন করে লেখা একেবারেই অপ্রয়োজনীয় মনে করি।’

বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে গেলে- বিপ্লবী গণতান্ত্রিক পরিবর্তন আনতে হবে জানিয়ে প্রিন্স বলেন, ‘শুধু অল্পস্বল্প সংস্কার করলে হবে না। পুরো মৌলিক পরিবর্তন করতে হবে। সেই সংস্কারের জন্য আমাদের বিকল্প প্রস্তাবনা আছে, সবাই এটা জানেন। সুতরাং আমরা সেই পদ্ধতিতে আমরা মৌলিক সংস্কার করতে চাই।’

নির্বাচনে প্রার্থিতা: বিদ্রোহে ভুগছে বিএনপি

জামায়াতের আমিরের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারির সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের নতুন ব্যাখ্যা দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন

বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন মান্না

সুষ্ঠু ভোট হলে জাতীয় পার্টি ৪০-৭০টি আসন পাবে: শামীম হায়দার

শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন তারেক রহমান

‘আরেকবার চেষ্টা করে দেখতে চাই’, মাহফুজ আলমের পোস্ট

গোপন উৎসে ৫ গুণের বেশি আয় রাঙ্গাঁর

ঢাকা-১৯ আসন: বিএনপি প্রার্থীর ৮, জামায়াত প্রার্থীর এক মামলা

আযাদ, জারাসহ ৫১ জন ফিরে পেলেন প্রার্থিতা