প্রধানমন্ত্রীর দুটি দেশ (মালয়েশিয়া ও চীন) সফরকে কেন্দ্র করে দেশের অভ্যন্তরে নানা ধরনের উসকানি ও নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘কেন জানি আমার কাছে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশে নানাভাবে বিভিন্ন ধরনের উসকানির একটা আবছা ইঙ্গিত পাচ্ছি।’
আজ শনিবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশ আইসিটি শিল্প ২০৩০: চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও কৌশলগত সংস্কার’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে ন্যাশনালিস্ট আইসিটি ফোরাম (এনসিএফ)।
দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আসা বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক আদর্শের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রিজভী বলেন, ‘সরকারের যে রাজনৈতিক দল, তার নামের আগে একটি “জাতীয়তাবাদী” শব্দ আছে। এই শব্দটির সঙ্গে মিশে আছে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র। অর্থাৎ এই সরকার এমন কিছু করবে না, যাতে আমাদের স্বাধীনতা বিপন্ন হয় কিংবা সার্বভৌমত্ব প্রতিদিন একটু একটু করে দুর্বল হয়। তবে এই সরকারকে অনেক চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই সামনে এগোতে হবে।’
পররাষ্ট্রনীতির ওপর জোর দিয়ে রিজভী আরও বলেন, ‘দেশের স্বার্থ ও কল্যাণে পৃথিবীর কোনো দেশই আমাদের শত্রু নয়, আবার কেউ প্রভুও নয়। সকলেই আমাদের বন্ধু। এটি দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার একটি ঘোষিত নীতি। সেই নীতির ওপর ভিত্তি করেই বর্তমান সরকারপ্রধান তাঁর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।’
দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য একটি শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বাড়িয়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় অন্যদের মধ্যে এনসিএফের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাফায়েল কবির, উপদেষ্টা মারুফ মল্লিক, শাহ জেড মিয়াসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।