ডা. লেলিন চৌধুরী জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং ‘হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতাল’-এর চেয়ারম্যান। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করার পর জনস্বাস্থ্য বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবনে প্রগতিশীল ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ঐতিহ্যবাহী শিশু সংগঠন ‘খেলাঘর’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করছেন।
হামে পাঁচ শতাধিক শিশুর মৃত্যু, এসব ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় এড়ানোর মনোভাব এবং জরুরি করণীয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার মাসুদ রানা।
হাম একটি অতি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগ প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকর উপায় হলো সঠিক সময়ে শিশুকে টিকা দেওয়া। বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি বা ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুকে বিভিন্ন সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদান করা হয়। শিশুর টিকাদানের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ একটি সফল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং পুরস্কৃত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য নিঃসন্দেহে একটি গৌরবের বিষয়। বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল ২০২৬ সালে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনা।
তখন লক্ষ্যটি অর্জনের বাস্তব অবস্থা দেশে বিরাজমান ছিল। বস্তুগত অবস্থা বলতে মূলত হামের টিকা দেওয়ার হার বোঝানো হচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে সম্মিলিত বা দলগত সুরক্ষা শক্তি অথবা প্রতিরোধক্ষমতা বলে একটি কথা আছে, ইংরেজিতে একে হার্ড ইমিউনিটি বলা হয়। একটি দেশে অথবা জনপদে যখন ৯৫ শতাংশ বা তারও বেশি মানুষের হামের টিকা নেওয়া থাকে, তখন সেই দেশে বা জনপদে হামের সংক্রমণ শূন্যে নেমে আসে। তখন দেশবাসীর মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হয়। এ অবস্থায় হামের সংক্রমণের ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ে। তাহলে হার্ড ইমিউনিটি থাকা অবস্থায় বাংলাদেশে হামের মহামারি হলো কেন? আমরা এই প্রশ্নটির উত্তর খোঁজার চেষ্টা করতে পারি।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে অনেকগুলো কর্মসূচি বিচ্ছিন্নভাবে চলমান ছিল। পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে দেখা গেল, এই কর্মসূচিগুলোকে সমন্বিত করা গেলে একদিকে সাফল্যের হার বাড়বে, অন্যদিকে ব্যয় কমে আসবে। সেই বিবেচনায় ১৯৯৮ সালে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সবগুলো কর্মসূচিকে একত্র করে একটি সমন্বিত কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়। স্বাস্থ্যকর্মী মহলে সমন্বিত কর্মসূচিটি সেক্টর প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচিতি পায়। সেক্টর প্রোগ্রামের প্রতিটি অংশের জন্য আবার আলাদা আলাদা অপারেশনাল প্ল্যান বা প্রায়োগিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এভাবেই টিকাদান কর্মসূচিকে সফল করার জন্য একটি অপারেশনাল প্ল্যানের অধীনে পরিচালনা করা হয়ে আসছিল। ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরেই নানা বিবেচনায় অন্তর্বর্তী সরকার স্বাস্থ্য খাতের সেক্টর প্রোগ্রাম বাতিল করে দেয়। তাদের পরিকল্পনা ছিল সেক্টর প্রোগ্রাম বাতিল করে কর্মসূচিগুলোকে উন্নয়ন প্রকল্পে স্থানান্তর করবে। ইউনূস সরকার সাফল্যের সঙ্গে সেক্টর প্রোগ্রাম বাতিল করতে পারে। তবে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে শতভাগ ব্যর্থ হয় তারা। সেই সময়েই শিশুর টিকাদানের কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হয় এবং সেটা বন্ধ হয়ে যায়। হামের টিকাদানের হার ৯৫ শতাংশের বেশি থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে তা কমে ৫৯ শতাংশ বা তারও নিচে নেমে আসে। ফলে দেশে হামের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া হার্ড ইমিউনিটি ভেঙে চৌচির হয়ে যায়।
বাংলাদেশে প্রতিবছর ৩০-৩৪ লাখ শিশু জন্মগ্রহণ করে। দেড় বছরে জন্ম নেওয়া ৪৫ থেকে ৫০ লাখ শিশুর অধিকাংশ টিকার বাইরে থেকে যায়। যখন বিপুলসংখ্যক শিশু টিকা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত এবং হার্ড ইমিউনিটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়, তখন হামের ব্যাপক সংক্রমণ হওয়ার পথ স্বাভাবিকভাবেই উন্মুক্ত হয়ে যায়। বাংলাদেশে সেটাই ঘটেছে। এই হলো বাংলাদেশে হাম মহামারির উত্থানের প্রেক্ষাপট।
হামে ইতিমধ্যে হাজার হাজার শিশু আক্রান্ত এবং পাঁচ শতাধিক শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। অথচ সবগুলো মৃত্যুই ছিল প্রতিরোধযোগ্য। একটি অপরিণামদর্শী, দায়িত্বহীন পদক্ষেপের কারণে এতগুলো শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এটা মূলত পদ্ধতিগত হত্যাকাণ্ড। বিষয়টিকে তদন্ত ও জবাবদিহির আওতায় আনা দরকার এবং দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা এখন সময়ের দাবি।
অন্তর্বর্তী সরকারের একটি শিশুঘাতী সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশে হামের মহামারি শুরু হয়েছে। এই মহামারি প্রতিরোধের ব্যর্থতার দায় বর্তমান সরকারকে দেওয়া যায় না। বর্তমান সরকার একটি ভেঙে দেওয়া টিকাদান কর্মসূচিকে নিয়মশৃঙ্খলায় ফিরিয়ে এনে আবার সফলভাবে টিকা দেওয়া শুরু করেছে। তবে শুরুর দিকে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা সমস্যার গভীরতা ও ব্যাপকতা অনুধাবন করতে পারেননি। সরকার দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে, এটা অভিনন্দনযোগ্য। তবে টিকাদান কর্মসূচিকে সফল করার জন্য যে পরিমাণ প্রচার-প্রচারণার প্রয়োজন ছিল, সরকারের পক্ষ থেকে সেটা করা হয়নি। জনসাধারণকে যুক্ত করা না হলে কোনো মহামারি সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ করা যায় না। হামবিরোধী কার্যক্রমে জনসাধারণকে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে সরকারের তেমন সফলতা নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অথবা নানা ধরনের জলসায় হামের টিকাবিরোধী প্রচার-প্রচারণাকে নিরুৎসাহিত ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের অসক্রিয়তা বা ভূমিকাহীনতা মানুষের চোখে পড়েছে। সরকার সঠিক সময়ে হামকে জনস্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলে হামের বিস্তার কিছুটা হলেও কমত।
বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার চিত্রটি একেবারে উল্টো। মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় প্রাথমিক সেবা প্রতিষ্ঠান হবে পরিপূর্ণ সেবাদানের উপযোগী। আমাদের দেশে এটা হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য প্রকল্প। উপজেলাগুলোতে পরিপূর্ণ সেবার ব্যবস্থা খুব কম স্থানে রয়েছে। অধিকাংশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সমন্বিত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় লোকবল, যন্ত্রপাতি ও ওষুধপত্র নেই। মধ্যম পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান হচ্ছে জেলা হাসপাতাল। সেখানে আইসিইউ সেবা পর্যন্ত থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে সেটা অনেক জায়গায় নেই। ফলে হামের জটিলতার চিকিৎসার জন্য লোকজন উপজেলা বা জেলা হাসপাতালে না গিয়ে সরাসরি ঢাকা বা অন্য বড় শহরের তৃতীয় বা উচ্চতর পর্যায়ের বিশেষায়িত হাসপাতালে চলে যায়।
বাংলাদেশে বর্তমানে কমবেশি ১১০টির মতো মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে। এসব কাগজে-কলমে উচ্চতর পর্যায়ের হাসপাতাল হলেও বাস্তবে এগুলোতে অনেক ঘাটতি রয়েছে। ফলে রোগীরা ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো জায়গার উচ্চতর হাসপাতালে চলে আসে। বর্তমানে হামের জটিলতা নিয়ে যেসব রোগী ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে, তার ৭০ শতাংশই কিন্তু ঢাকার বাইরে থেকে আসা। আমাদের দেশে উপজেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে বিশেষায়িত উচ্চতর হাসপাতালে রেফার করার কোনো কার্যকর পদ্ধতি নেই। সব মিলিয়ে বলা যায় আমাদের চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থার কলেবর অনুযায়ী যে রকম সেবা রোগীদের দেওয়া দরকার, সেটা প্রদান করা যায় না। হামের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার ঘটেছে।
হামে হাজার হাজার আক্রান্ত এবং পাঁচ শতাধিক শিশুর মৃত্যুর মূল দায় বর্তমান সরকারের ওপর বর্তায় না। যারা টিকাদান বন্ধ করার জন্য দায়ী, তারাই মূলত এতগুলো শিশুর মৃত্যুর দুয়ার খুলে দিয়েছে। ঠিকমতো টিকা দেওয়া হলে হামের এ রকম মহামারি হতো না এবং আমাদের শিশুরা মারা যেত না। হামে শিশুর মৃত্যু হতে পারে—এমন ঘটনার কথা এ দেশের মানুষ ভুলে গিয়েছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তের ফলে এসব মৃত্যু ঘটছে। তাই হাম-কাণ্ডের পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা হোক। এতে সত্য প্রকাশিত হবে এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা যাবে।
এখন সরকার হামের প্রাদুর্ভাব ও মৃত্যু ঠেকাতে একদিকে অতিদ্রুত টিকাদান এবং অন্যদিকে চিকিৎসা কার্যক্রমকে একটি সুসমন্বিত ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে আসতে পারে। আমরা দেখতে পাই হামে আক্রান্ত শিশুকে বুকে চেপে শিশুটির স্বজন এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটছে। আমাদের প্রস্তাব হচ্ছে, সরকারি উদ্যোগে হাসপাতালের খালি শয্যা, আইসিইউ শয্যা, অ্যাম্বুলেন্স সেবাকে অঞ্চল বা নির্দিষ্ট বড় শহরভিত্তিক ডেটাবেইসে নিয়ে আসা হোক। এতে করে রোগীকে খুব সহজে হাসপাতালে ভর্তি করা যাবে। সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রাইভেট হাসপাতালে হামের রোগী ভর্তির অনুমতি দিয়েছেন। এটা শুরু থেকে বলা হলে রোগীর চিকিৎসা পেতে অনেক সহজ হতো। হামে মৃত্যুর সংখ্যা অতি দ্রুত কমিয়ে শূন্যে আনা কঠিন একটি বিষয়। কিন্তু আমাদের কাজটি চালিয়ে যেতে হবে।
আগামী দিনগুলোতে সংক্রামক রোগের একাধিক মহামারির আশঙ্কা রয়েছে। তবে সেটা প্রধানত হামের কারণে হবে। হাম আক্রান্ত রোগীর হাম-পরবর্তীকালে একটি সমস্যা দেখা দেয়, যার নাম হচ্ছে ‘ইমিউন অ্যামনেশিয়া’। এর অর্থ হচ্ছে ‘শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতার স্মৃতিভ্রষ্টতা’। এতে একজন হামের রোগী সেরে ওঠার পর তার শরীরে আগে থেকে বিরাজিত প্রতিরোধক্ষমতার ১১-৭৩ শতাংশ অকেজো হয়ে যায়। এই অবস্থা দু-তিন বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। শিশুর শরীরে টিকাদানের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি করা হয়। আবার কখনো কোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর শরীরে ওই রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়। হামে আক্রান্ত রোগীর শরীর থেকে এই ক্ষমতার ৭৩ শতাংশ পর্যন্ত অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। তার মানে এই—যে শিশুরা হামে আক্রান্ত হওয়ার আগে ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি, পোলিও, টিবি, ধনুষ্টংকার ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ছিল, তারা আবার নতুন করে এসব রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মূলত এই ইমিউন অ্যামনেশিয়ার পথ ধরে হাম-পরবর্তীকালে নতুন নতুন মহামারির আগমন ঘটার সমূহ আশঙ্কা আছে।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন করতে হবে। এখন পর্যন্ত আমাদের
দেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রধানত চিকিৎসাসেবাকেন্দ্রিক। দেশের নাগরিক এবং নীতিনির্ধারকদের অধিকাংশ স্বাস্থ্যসেবা বলতে কেবল ডাক্তার, নার্স, হাসপাতাল, ওষুধ, অপারেশন ইত্যাদি বুঝে থাকেন। কিন্তু আধুনিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান রোগ হওয়ার পরে চিকিৎসা নয়, রোগ হওয়ার কারণকে আগেই দূর করতে চায়। রোগ হওয়ার পূর্বে রোগকে প্রতিরোধ করাকে প্রতিরোধী স্বাস্থ্যসেবা বা প্রিভেন্টিভ হেলথ কেয়ার বলা হয়। প্রতিরোধী স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণভাবে পাবলিক হেলথ কেয়ার বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাশাপাশি একটি জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর দ্রুত প্রতিষ্ঠা করা দরকার। এই অধিদপ্তরের দায়িত্ব হবে সারা দেশে রোগ প্রতিরোধের সব ব্যবস্থা করা। এটি না করা হলে আমরা নানা জাতীয় রোগের আবির্ভাব থামাতে ব্যর্থ হব।
বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা মোকাবিলার কোনো রকম সদাসতর্ক প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নেই। এই ব্যবস্থার প্রধান সুবিধা হলো— স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত সর্বোচ্চ থেকে সর্বনিম্ন ব্যক্তিটির জানা থাকবে জনস্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থায় কার কী দায়িত্ব। এ রকম অবস্থার উদ্ভব হলে যার যার অবস্থান থেকে প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবে। এ জন্য নতুন করে কোনো আদেশ বা নির্দেশ জারি করতে হবে না।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় উক্ত দুটি বিষয় যুক্ত করা এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।