অন্য ব্যক্তিকে মৌখিক পরীক্ষায় বসিয়ে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময় বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর তাদের আটক করে পুলিশে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ মান্দিয়া গ্রামের মো. ফরহাদ আলীর ছেলে মো. আ. আলিম, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া গ্রামের মো. আব্দুল হাইয়ের ছেলে মো. আলী হায়দার, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মো. আহসান হাবিবের ছেলে মো. রাসেল রানা লিটন এবং গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী গ্রামের মো. সাব্বির ফকিরের ছেলে মো. মাসুদ ফকির।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গত ৫ মে সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর এবং অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। অফিস সহায়ক পদে ২৩ হাজার ৭০৯ জন আবেদন করেন। ১০৭ জন মৌখিক পরীক্ষায় জন্য নির্বাচিত হন। এদের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে ২০ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ৬ জুলাই নিয়োগপত্র দিয়ে ১৯ জুলাই সকাল ১০টায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিবের (প্রশাসন অধিশাখা) কক্ষে উপস্থিত হয়ে যোগদান করতে বলা হয়েছিল।
একজন কর্মকর্তা বলেন, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে আসেন। এদের মধ্যে চারজনের চেহারার সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষায় উপস্থিত ব্যক্তিদের চেহারা ভিন্ন হওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার সময় অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীর প্রবেশপত্রসহ ছবি তুলে রাখা হয়েছিল।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান যে, তাদের হয়ে অন্য ব্যক্তি মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এ বিষয়ে দোষ স্বীকার করে লিখিত দিয়েছেন তারা। এরপর তাদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। পরে তাদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।