দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেলের ১৬ একর ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ জমি ও দুটি ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন বলে নিশ্চিত করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ।
সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমানের করা আবেদনে বলা হয়, রাজধানীর ধানমন্ডি ও গুলশানে ফাহমী গোলন্দাজের দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে। ময়মনসিংহের গফরগাঁও ও ভালুকায় তাঁর জমির পরিমাণ ১৬ একর ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যার মূল্য ৮ কোটি ৫৬ লাখ ৩৫ হাজার ৪৯৫ টাকা।
ফাহমী গোলন্দাজ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২০ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার ৫৭৩ টাকা মূল্যের সম্পত্তি অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি নিজের নামে ১৬টি ব্যাংক হিসাবে ৬০ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার ৯৮ টাকা এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ মার্কিন ডলার অস্বাভাবিক লেনদেন করে দুদক আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন। এসব অভিযোগে দুদক এরই মধ্যে গোলন্দাজের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
মামলার তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ফাহমী গোলন্দাজ তাঁর স্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। এসব সম্পদ তিনি যাতে অন্যত্র হস্তান্তর ও স্থানান্তর করতে না পারেন, সে জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর ১৮ বিধি এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ১৪ ধারা অনুযায়ী ক্রোক করা প্রয়োজন।