মন্ত্রিসভায় রদবদলকে একটি চলমান প্রক্রিয়া বলেই মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের কল্যাণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার পরিচালনায় কিছু পরিবর্তন এনেছেন। সেই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় আজ আমরা সরকারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি।
আজ শনিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তাঁর সঙ্গে নবনিযুক্ত আরও দুই মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীও শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেন সমাধিসৌধ প্রাঙ্গণে।
তাঁরা হলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়া ও ফাতেহা পাঠ করেন তাঁরা।
তারেক রহমান বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রান্তিকালে হাল ধরেছেন মন্তব্য করে আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রান্তিকালে জনগণের ভোটে দেশের হাল ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। বাংলাদেশের সমস্যাগুলো সম্পর্কেও তিনি ওয়াকিবহাল আছেন। সেই সমস্যাগুলো দূর করে বাংলাদেশকে একটি গতিশীল রাষ্ট্র ও বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন।
মন্ত্রিসভার রদবদল প্রসঙ্গে বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আজকের মন্ত্রিসভায় যে রদবদল ও পরিবর্ধন হয়েছে, এর মূল লক্ষ্য বাংলাদেশকে আরও ভালোভাবে এগিয়ে নেওয়া এবং অতীতের সেই বাংলাদেশে যেন আর ফিরে যেতে না হয়, তা নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চান, সরকারের প্রত্যেক সদস্য তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে কাজ করবেন। তৃণমূল পর্যায় থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করার যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন, আমরা সবাই সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করব।
এই মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের কিছুটা সময় লাগছে, কারণ দেশটি একটি ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল। সেই ভঙ্গুর দেশকে পুনর্গঠন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছয় মাস সময় দিয়েছেন। এই সময়ে আমরা পরিকল্পনা করেছি। এখন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাব।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই বাংলাদেশের একটি ভিন্ন চিত্র দেখতে পাবেন। তৃণমূল পর্যায় থেকে দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে সুখী ও স্বস্তিতে থাকতে পারে, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করতে চাই। আমরা একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ দেখতে চাই।