হোম > জাতীয়

সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইল ছবি

অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রথমত, হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক প্রতিবেদন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্ষেত্রে জবাবদিহি বৃদ্ধি করা হলে কাজের দক্ষতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়বে বলে বৈঠকে অভিমত ব্যক্ত করা হয়।

আজ রোববার কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমানে সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুর্নীতি প্রতিরোধে সরাসরি যোগাযোগের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শুধু চিহ্নিত বা শাস্তি দিলেই হবে না; বরং যে প্রক্রিয়া বা ব্যবস্থার মাধ্যমে দুর্নীতি সংঘটিত হচ্ছে, সেই প্রক্রিয়া বা ব্যবস্থাকেই পরিবর্তন বা অপসারণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় বৈঠকে। এর ফলে ব্যবসায়ীদের ব্যয় ও হয়রানি কমবে, ব্যবসার পরিবেশ সহজ হবে এবং একই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

এ ছাড়া, সরকারের ব্যয় নির্বাহে এনবিআরের সক্ষমতা, কর-জিডিপি অনুপাতের ব্যবধান কমাতে গৃহীত পদক্ষেপ এবং এনবিআরের সাংগঠনিক কাঠামো নিরূপণ ও করণীয় বিষয়ে এনবিআরের পক্ষ থেকে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপিত বিষয়সমূহের ওপর কমিটির সদস্যগণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য সদস্য আবুল হাসনাত (হাসনাত আব্দুল্লাহ) সাংবাদিকদের বলেন, এনবিআরের কাঠামোগত সংস্কার, ট্যাক্স জিডিপি নিয়ে আলোচনার কথা ছিল। অর্থমন্ত্রী ইতিবাচক ছিলেন। কিন্তু বৈঠক শুরু হতে না হতে সরকারদলীয় একাধিক সদস্য বৈঠক তাড়াতাড়ি শেষ করে আরেকদিন আলোচনার কথা বলেন। কোনো আলোচ্যসূচিই শেষ করা হয়নি। সিদ্ধান্ত আসেনি। সরকারদলীয় কিছু সদস্য এই কমিটিকে আলংকারিক কমিটি হিসেবে নিয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মো. জালাল উদ্দিন, মঈনুল ইসলাম খান, মো. শাহাদাত হোসেন, মো. সাইফুল আলম, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন।