বৃক্ষরোপণসহ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার সকাল ৬টার পর সড়কপথে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে রওনা হন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকালে সড়কপথে বরিশাল যাবেন। সেখানে বৃক্ষরোপণের কয়েকটি কর্মসূচি রয়েছে।’
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী কর্মসূচি শেষ করে সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরবেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—গৌরনদীর বাটাজোর ইউনিয়নে নতুন খনন করা সরিকল খালের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, জেলা সদরের ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং ত্রিশ গোডাউনসংলগ্ন সাগরদী এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। এ ছাড়া বিকেলে জেলার শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠান।
বরিশালে এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম সফর।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছে বরিশাল। চার দিন ধরে বিএনপির নেতা-কর্মীরা আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করে যাচ্ছেন।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতা-কর্মীরা আনন্দ মিছিল নিয়ে নগরীতে আসেন। এসব কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু ছিল সদর রোড। স্লোগানের মাধ্যমে দলীয় নেতা-কর্মীরা তাঁদের আনন্দ প্রকাশ করেন। তাঁদের আশা, প্রধানমন্ত্রীর আগমনে বরিশালের উন্নয়ন হবে।
সকালে জেলা দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে নগরের অশ্বিনীকুমার হলসংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরওয়ার এমপির নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল বের করা হয়।
একই সময়ে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনের উদ্যোগে নগরে একটি র্যালি বের হয়।
দুপুর ১২টার পর জেলা দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে বের হওয়া মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দলটির আহ্বায়ক আবুল হোসেন এমপি। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন।
দুপুর সাড়ে ১২টায় সরওয়ারের নেতৃত্বে বের হওয়া মিছিলে নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা থেকে নেতা-কর্মীরা যোগ দেন। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, নির্বাহী সদস্য এবায়দুল হক চাঁন, মেজবাউদ্দিন ফরহাদ, বিএনপি নেতা আনোয়ারুল হক তারিন, মীর জাহিদুল কবির, সৈয়দ আকবর ও ফারহানা তিথি প্রমুখ।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। নিরাপত্তার স্বার্থে সব ধরনের ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণ স্থাপন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।