চার মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আবার চালু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সিলেট–ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট। আজ রোববার যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার থেকে ছেড়ে আসা বিজি-২০৮ ফ্লাইট সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের মধ্য দিয়ে এ রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা পুনরায় শুরু হয়।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র জানায়, ফ্লাইটটিতে ২৭২ জন যাত্রী ছিলেন। হজ ফ্লাইট নির্বিঘ্নে পরিচালনার স্বার্থে গত ১ মার্চ থেকে সিলেট–ম্যানচেস্টার রুটে বিমানের সরাসরি ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছিল। বিরতি শেষে পুনরায় চালু হওয়া এ রুটে আপাতত সপ্তাহে দুই দিন ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
ফ্লাইটটি সিলেটে পৌঁছালে যাত্রীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র ও বেসামরিক বিমান পরিবহনবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী, বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিলেট–ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হয়েছে। যাত্রীসেবার মান বজায় রেখে এ রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ভবিষ্যতে সিলেট–কক্সবাজার রুটে ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের কার্যকর বিমানবন্দর এবং আঞ্চলিক বিমান চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি সিলেট–ঢাকা ও সিলেট–চট্টগ্রাম রুটে বিমানভাড়া সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখারও আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র ও বেসামরিক বিমান পরিবহনবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, নির্বাচনের আগে প্রবাসীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার গঠনের পর সিলেট–ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হয়েছে।
এ সময় সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমেদসহ প্রশাসন ও বিমান সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।