হোম > জাতীয়

জুলাই আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে: আইসিটি মন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইল ছবি

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ২০২৪ সালের ১৮ থেকে ২৩ জুলাই ও ৫ আগস্ট সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় অনলাইনভিত্তিক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের বিপুলসংখ্যক উদ্যোক্তা ও নারী কর্মী সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হন।

আজ রোববার জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে আইসিটি মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘ইন্টারনেট না থাকায় ই-কমার্স ব্যবসা, অনলাইন টিকিটিং, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট কার্যক্রম, অনলাইনভিত্তিক ব্যাংকিং ও মোবাইল আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেরা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। বিদেশে অবস্থানরত এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি তাদের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি। ফলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, জনসাধারণের আর্থিক লেনদেন শুরু করে জীবনযাত্রার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

মন্ত্রী জানান, ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ প্রদানসহ জুলাই-আগস্টের সংগঠিত গণহত্যা সম্পর্কিতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগণ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তবে মন্ত্রী কত টাকার ক্ষতি হয়েছে তা তুলে ধরেননি।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে আইসিটি মন্ত্রী বলেন, ‘মৃত ব্যক্তির নামে রেজিস্টার্ড সিম ১১ মাস অব্যবহৃত থাকলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রি-সাইকেল হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রেই মৃত ব্যক্তির নামে রেজিস্টার্ড সিম তার বৈধ উত্তরাধিকারীগণ ব্যবহার করেন।’

আইসিটি মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমানে কোনো গ্রাহকের মৃত্যুর তথ্যের ভিত্তিতে তার নামে নিবন্ধিত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করার সমন্বিত ব্যবস্থা চালু নেই। তবে মৃত ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত সিমের অপব্যবহার রোধে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের ওয়েবসাইটের তথ্যভান্ডারে মৃত হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের তথ্যের সঙ্গে বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট সিস্টেমের সমন্বয় স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনাধীন আছে।’

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সানজিদা ইসলামের প্রশ্নের জবাবে আইসিটি মন্ত্রী বলেন, ‘অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারে স্কুল/কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিরূপ প্রভাব পড়ছে তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে স্মার্টফোনের মাধ্যমে এখন বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষামূলক কার্যক্রমও সম্পন্ন করা যাচ্ছে। শিশু কিশোর ও শিক্ষার্থীরা স্মার্টফোনের মাধ্যমে অনলাইন পড়াশোনার কনটেন্ট এক্সেস করছে। মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বয়সসীমা নির্ধারণে সরকার কর্তৃক আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।’