হোম > জাতীয়

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ১৫৭ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৫৭ জন বাংলাদেশি আজ মঙ্গলবার দেশে ফিরেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাঁরা দেশে ফেরেন। 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই ১৫৭ জন লিবিয়ার মিসরাতা ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে আটকে পড়েছিলেন। পরে তাঁরা স্বেচ্ছায় দেশে ফেরত আসতে আগ্রহ প্রকাশ করলে বুরাক এয়ারের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে বাংলাদেশে পাঠানো হয়। আজ মঙ্গলবার সকাল ৪টা ২৫ মিনিটে সেই ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করে। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রত্যাবাসনকৃত অসহায় এসব বাংলাদেশিকে বহনকারী বিমান হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান। 

প্রত্যাবসিত এসব বাংলাদেশির বেশির ভাগ সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশ্যে মানব পাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন। তাঁদের অধিকাংশই লিবিয়ায় বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। 

দেশে ফেরত আসার পর এই ভয়ংকর পথ পাড়ি দিয়ে আর যেন কেউ লিবিয়ায় না যান—এ বিষয়ে তাঁদের সচেতন হওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সবাইকে আহ্বান জানান। আইওএমের পক্ষ থেকে লিবিয়া থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। 

উল্লেখ্য, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করল বাংলাদেশ-ইইউ

ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে যা আছে (তৃতীয় পর্ব)

বগুড়ায় চৌকিরদহ খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করার ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

কাগজপত্র থাকলে সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে রপ্তানির ওপর চাপ পড়েছে, প্রভাব ফেলতে পারে রেমিট্যান্সে: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী

আদালত ন্যায়বিচারের নিরাপদস্থল হলে সমাজ থেকে মব ভায়োলেন্স দূর হবে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার রাষ্ট্র ও সমাজে আইনানুগ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী