হোম > জাতীয়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ছবি: সংগৃহীত

১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ মহসিন রশিদ এই রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন। আবেদনে ১৯৭৩ সালের আইনটিকে অপ্রচলিত, কার্যকারিতাহীন এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হিসেবে আখ্যায়িত করে এটি বাতিলের জন্য সরকারের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

তবে হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে আবেদনটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে বা সরাসরি খারিজের আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৪ জুন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিটকারী আইনজীবী মহসিন রশিদ এই আইনের বিরোধিতা করে একাধিক যুক্তি উপস্থাপন করেন।

তিনি দাবি করেন, ১৯৭৩ সালের এই ট্রাইব্যুনাল মূলত ১৯৭১ সালে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত পাকিস্তানি সৈন্যদের বিচারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে তাদের পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়। আর দেশীয় সহযোগীদের বিচারের জন্য ১৯৭২ সালে দালালি আইন (কলাবোরেটরস অর্ডার) করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে বাতিল করা হয়।

আইনজীবী মহসিন রশিদের মতে, ২০০৯ সালে জামায়াতের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আইনটিতে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। সে সময় সাক্ষ্য আইন ও ফৌজদারি কার্যবিধির সাধারণ নিয়মাবলি স্থগিত রেখে বিচার কাজ পরিচালনা করা হয়েছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার লিখিত একটি বইয়ের বক্তব্য উদ্ধৃত করে দাবি করেন, ওই সময় ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছিল। সাবেক আপিল বিভাগের বিচারপতি আব্দুল ওয়াহহাব মিঞার একটি ভিন্নমত পোষণকারী (ডিসেন্টিং) রায়ের বিষয় উল্লেখ করে তিনি পুরো বিচারিক প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ট্রাইব্যুনাল আইনে পুনরায় সংশোধনী আনা এবং নতুন করে বিচার কাজ শুরু হওয়া প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন এই আইনজীবী।

তিনি দাবি করেন, কোনো সরকারের সময়েই এই আইনটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত নয়। আইনের এমন অপব্যবহার ভবিষ্যতে অন্যান্য সরকারের আমলেও বিপরীতভাবে ব্যবহৃত হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কার কথা জানান।

আইনটির কাঠামোগত ত্রুটির কথা উল্লেখ করে তিনি এটি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার দাবি জানান।

তবে রাষ্ট্রপক্ষ ও আইন বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশের মতে, ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং পরবর্তীতে দেশে সংঘটিত বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের বিচারে এই আইনের ঐতিহাসিক ও আইনি গুরুত্ব রয়েছে। হাইকোর্টের আজকের এই খারিজ আদেশের ফলে ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো আইনি বাধা রইল না বলে জানান আইনজীবীরা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

মানব পাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদার করবে আইওএম

বঙ্গভবনে অফিস করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

স্বাস্থ্যসেবার বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

৭ বছরে সড়কে প্রাণ হারিয়েছে সাত হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী

সূর্য উঠলে আপনারা সবাই দেখতে পারবেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি

শাহজালালে বিদেশি এয়ারলাইনসের অতিরিক্ত ফ্লাইট স্থগিত, ৩৮ সংস্থাকে বেবিচকের চিঠি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতে সিইসি

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ সেনা হেফাজতে: আইএসপিআর