হোম > জাতীয়

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের, নাছিমসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

(ওপরে বাঁ থেকে) ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত (নিচে বাঁ থেকে) শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল ও সাদ্দাম হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত ও যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আজ মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টায় এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন, বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় গত ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। সে দিন আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চায় প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)। পরে এ মামলার পলাতক সাত আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।

এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন—কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। এ মামলার সব আসামি শুরু থেকেই পলাতক।

গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর এই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে পলাতক থাকা ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে গত ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচারকাজ। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র নিহত শরিফ ওসমান বিন হাদি, তদন্ত কর্মকর্তাসহ এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ২৯ জন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ৪ আগস্ট শুরু হয় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন।