হোম > জাতীয়

জামানত হারালেন ৬৮% প্রার্থী

সবুর শুভ, চট্টগ্রাম    

ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১৫ প্রার্থীর মধ্যে জামানত রাখতে পারেননি ৭৮ জন প্রার্থী। প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। বিএনপির কেউ জামানত না হারালেও জামানত বাজেয়াপ্তের তালিকায় রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রার্থীও জামানত রক্ষা করতে পারেননি। সব মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ৬৮ শতাংশই জামানত হারিয়েছেন।

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন জানান, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জামানত রাখতে হয়। নির্বাচনে নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট পেলে পরবর্তী সময়ে সেই জামানতের টাকা আবার সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু জামানত বাজেয়াপ্ত হলে প্রার্থীরা আর ওই টাকা ফেরত পান না; যা পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তার সরবরাহ করা ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনই জামানত হারান। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে আটজন প্রার্থী ভোটের মাঠে ছিলেন। এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর মধ্যে। এই আসনের প্রদত্ত ভোট হচ্ছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১৩। প্রার্থীদের মধ্যে ৬ জন জামানত রক্ষা করতে পারেননি। ২৭ হাজার ৯৩৯ ভোট করে পেলে ওই ৬ জনের জামানত রক্ষা পেত। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে চারজনের মধ্যে ভোটের লড়াই হয়। এখানে মূল লড়াই বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর হয়। তবে অন্য দুই প্রার্থী তাঁদের জামানত খোয়ান।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপি, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীসহ ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁদের মধ্যে সাতজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে কাঙ্ক্ষিত ভোট স্বল্পতায়। ভোটের অনুপাতে তাঁদের জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২৭ হাজার ৩২৭ ভোট। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) প্রতিদ্বন্দ্বী চারজন প্রার্থীর মধ্যে একজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মূল লড়াইটা হয় বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে। উল্লিখিত প্রার্থীদের মধ্যে পাঁচজন জামানত হারিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) ছয় প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন তিনজন। চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে ১০ জন প্রার্থীর আটজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলনের হাসান মারুফ রুমি ১ হাজার ৪০টি সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন। তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে মাত্র ১ ভোট পেয়েছিলেন। ওই সময় তিনি নিজের ভোটও দিতে পারেননি।

চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৯ জনের মধ্যে সাতজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ১১ প্রার্থীর ৯ জনই জামানত হারান। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে আট প্রার্থীর ছয়জনের জামানত বাতিল হয়। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থীও জামানত হারান। তিনি চট্টগ্রামে জামায়াতের একমাত্র প্রার্থী ছিলেন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে সাত প্রার্থীর চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে আট প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের জামানত বাতিল হয়। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে প্রদত্ত ৩ লাখ ২০ হাজার ৫১১ ভোটের মধ্যে ৪০ হাজার ৬৩ ভোট পাননি একজন প্রার্থী। এই আসনে বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও চারজন জামানত হারান।

ছোট মন্ত্রিসভায় যাঁদের নাম

রাষ্ট্রপতি পদে সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরির খোঁজে বিএনপি

সরকার আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে উভয়সংকটে পড়বে

মুখ খুললে অনেকের প্যান্ট খুলে যাবে, হিসাব করে পাঙ্গা লড়তে আইসেন: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

তারেক রহমানকে কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফোন

দিল্লির প্রেস মিনিস্টার ফয়সালের নিয়োগ বাতিল

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে কী আছে, জানাল প্রেস উইং

নাহিদের বাসায় তারেক রহমান

নতুন সরকার যখন বলবে তখনই ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী

জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান