হোম > জাতীয়

মন্ত্রিসভায় ৪ নতুন মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রী, কে পাচ্ছেন কোন মন্ত্রণালয়

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ছবি: সংগৃহীত

এই প্রথম বড় ধরনের রদবদল হতে যাচ্ছে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায়। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় এ লক্ষ্যে বঙ্গভবনে চারজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। শপথ নেওয়ার পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী।

অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

কে পাচ্ছেন কোন দায়িত্ব

সংশ্লিষ্ট একাধিক সরকারি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি হওয়ার কারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন আবদুল মঈন খান।

অন্যদিকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন আন্দালিভ রহমান পার্থ। বর্তমানে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা জহির উদ্দিন স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রী হওয়া রশিদুজ্জামান মিল্লাত একই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন বলে সূত্র জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বর্তমান মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে অন্য একটি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

এদিকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করার সম্ভাবনা রয়েছে।

মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। তবে হুমায়ুন কবিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র সম্ভাব্য দায়িত্ব বণ্টনের এ তথ্য দিয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। ফলে দায়িত্ব বণ্টনে শেষ মুহূর্তে পরিবর্তনের সুযোগও রয়েছে।