হোম > জাতীয়

মাসব্যাপী বৃক্ষমেলায় ১৬ কোটি টাকায় ১৬ লাখ চারা বিক্রি হয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বন ভবনে রোববার জাতীয় বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলা ২০২৬-এ ১৬ লাখ গাছের চারা বিক্রি হয়েছে, যার বিক্রয়মূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বন ভবনে জাতীয় বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান।

গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও জাতীয় বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন করেন। এরপর আজ বিকেলে সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মেলার ইতি টানা হয়।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, এবারের জাতীয় বৃক্ষমেলায় মোট ৭৪টি নার্সারি অংশ নেয়। মাসব্যাপী মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা প্রায় ১৬ লাখ গাছের চারা কিনেছেন, যার মোট বিক্রয়মূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা। এ বিপুলসংখ্যক চারা বিক্রি এবং আর্থিক লেনদেন প্রমাণ করে মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বাড়ছে এবং নার্সারি খাত ও বৃক্ষভিত্তিক অর্থনীতির সম্ভাবনাও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

মন্ত্রী সবাইকে মেলা থেকে সংগ্রহ করা চারা যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, গাছের বেঁচে থাকতে প্রতিটি রোপিত চারার সুরক্ষা ও নিয়মিত পরিচর্যার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তরুণ ও যুব সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন ২৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য সময়ের আগেই অর্জন করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এবারের জাতীয় বৃক্ষমেলা শুধু চারা ক্রয়-বিক্রয়ের একটি আয়োজন ছিল না; এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জনসম্পৃক্ততার একটি জাতীয় আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। “বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এবারের মেলা প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সাফল্য অর্জন করেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, দেশের পরিবেশ ও বন সংরক্ষণে সরকারের কার্যক্রম কেবল ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, ইতিমধ্যে তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ এবং নতুন সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম বছরেই পাঁচ কোটি চারা রোপণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যার মধ্যে বন অধিদপ্তর ৩ দশমিক ৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করবে।

আব্দুল আউয়াল বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে ৩ দশমিক ৫ লাখের বেশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যুবসমাজ, নারী ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে এ কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সারা দেশে ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে প্রায় ২ দশমিক ৫ লাখ মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, ঢাকা শহরে সবুজের পরিমাণ মাত্র ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী একটি শহরে প্রায় ২০ শতাংশ সবুজ থাকলে সেটিকে বাসযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু ঢাকায় নতুন করে সবুজায়নের জায়গা সীমিত। তাই শহরের বাড়ির ছাদগুলোকে সবুজায়নের আওতায় আনা যেতে পারে। এতে নগরবাসীর জন্য কিছুটা হলেও সবুজ পরিবেশ ও স্বস্তিদায়ক শ্বাস নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. ফাহমিদা খানম ও বাংলাদেশ জলবায়ু ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম (টিপু)।

তথ্য গোপন করায় আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

ইন্টারনেটটা একটু স্লো করে দাও—পলককে ওবায়দুল কাদের

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ প্রধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতের ৯ দফা দাবি

রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনে ৬ কমিটি

মির্জা ফখরুলই কি হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি

মহাস্থানগড়ে নির্মাণকাজের ওপর স্থিতাবস্থা

রিজার্ভ চুরি: ৯৭ বার পেছাল মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ

চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ মাকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

বাবুনগরে পৌঁছে হেফাজত আমিরকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী