প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মার্টিন ডওসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদলের সদস্য নেইল গান্ধী ও বিশ্বজিৎ দেব উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতের শুরুতেই উপদেষ্টা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য সরকার এবং জনগণকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
বৈঠকে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদলের সদস্য নেইল গান্ধী বর্তমান আমলাতন্ত্রের অবস্থা, কার্যক্ষমতা এবং আগের সরকারের সময়ে নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না এবং এ বিষয়ে নির্বাচিত সরকার কীভাবে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করবে, সে বিষয়ে জানতে চান।
বর্তমান প্রশাসনের চ্যালেঞ্জগুলো উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রশাসনে রাজনীতিকীকরণ ও দুর্নীতি ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। ফলে প্রশাসন তার গৌরব ও জৌলুশ অনেকাংশে হারিয়ে ফেলে মর্মে তিনি উল্লেখ করেন।
উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমান সরকার মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রশাসনে যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতি দিচ্ছে এবং হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মাধ্যমে তাঁদের কারিগরি সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করলে উপদেষ্টা বলেন, কারিগরি সহায়তা প্রদানের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলে আলোচনার মাধ্যমে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রশাসনের একটি লিগ্যাসি আছে। তাই কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বাংলাদেশের প্রশাসনিক উন্নয়নে দুই দেশ একত্রে কাজ করতে পারে।’