প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেছেন, ‘প্রবাসীদের জীবনের সার্বিক সুরক্ষা, কষ্টার্জিত অর্থের নিরাপত্তা এবং দেশে আর্থিক লেনদেনের প্রক্রিয়া সহজ করতেই ডিজিটাল প্রবাসী কার্ড চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে দ্রুত ও নিরাপদে লেনদেনের পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন সুবিধা আরও সহজে গ্রহণ করতে পারবেন।
আজ সোমবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয় ও জনতা ব্যাংক পিএলসির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিদেশে অবস্থানরত ও অভিবাসনপ্রত্যাশী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আর্থিক লেনদেন সহজীকরণ, ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনা এবং নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সচিব মো. মোখতার আহমেদ এবং জনতা ব্যাংকের পক্ষে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, ‘প্রবাসী কার্ড চালুর মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী উদ্যোগের সূচনা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতি সচল রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতীয় অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের জন্য যুগোপযোগী সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জনতা ব্যাংকের সহযোগিতার জন্য তিনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।’
প্রবাসী কার্ড বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রবাসী কার্ড চালু হলে প্রবাসী ও বিদেশগামী কর্মীদের আর্থিক সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও নিরাপদ হতে পারে। একই সঙ্গে সরকারি বিভিন্ন সুবিধা ও সেবার সঙ্গে প্রবাসীদের ডিজিটাল সংযোগ বাড়বে। ফলে প্রবাসীদের জন্য সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সময় ও হয়রানি কমানোর পাশাপাশি আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জনতা ব্যাংক পিএলসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।