হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সোমবার প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ দাখিলের পর তা আমলে নিয়ে পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
শেখ হাসিনা ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন— মহীউদ্দীন খান আলমগীর, শামসুল হক টুকো, হাসানুল হক ইনু, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. আব্দুর রাজ্জাক, হাসান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, মৃণাল কান্তি দাস, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা. দীপু মনি, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, মাহবুবুল আলম হানিফ, ওমর ফারুক চৌধুরী, সালাউদ্দিন মাহমুদ, ডাক্তার ইমরান এইচ সরকার, শাহরিয়ার কবির।
পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন— সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, এ. কে. এম. শহীদুল হক, মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারী, বেনজির আহমেদ ও তৎকালীন র্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান।
পুলিশের অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন— মোহাম্মদ আব্দুল জলিল মন্ডল, শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসান, মাহবুব হোসেন, মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, এসএফ মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সৈয়দ নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, এসএম শিবলী নোমান ও ফরমান আলী।
সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন— সাবেক সেনা প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, বরখাস্ত হওয়া সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও তৎকালীন র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমান।
সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপা।
এদিকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন— সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, একাত্তর মিডিয়া লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।