হোম > জাতীয়

গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

তথ্যের জগতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বস্তুনিষ্ঠতা। তাই গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করতে হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম গড়ে তুলতে অপতথ্য মোকাবিলায় কার্যকর চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স সিস্টেম প্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘স্বাধীন গণমাধ্যমের নতুন চ্যালেঞ্জ অপতথ্য: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘তথ্যকে অনেক সময় আদর্শের “রঙিন চশমা” দিয়ে দেখা হয়। ভিন্ন মতাদর্শ ভিন্নভাবে উপস্থাপন করলেও তথ্য একই থাকে, শুধু উপস্থাপনার রং বদলে যায়। এতে বাস্তবতা বিকৃত হয়। তাই গণমাধ্যমকে মূল্যায়ন করতে হবে বস্তুনিষ্ঠতার ভিত্তিতে।’

জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, ‘এই লক্ষ্য অর্জনে একটি কার্যকর চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। যেখানে ব্যক্তির স্বাধীনতা অন্যের স্বাধীনতাকে নিয়ন্ত্রণ করবে, যাতে কেউ স্বাধীনতার নামে অরাজকতায় না জড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফ্যাসিবাদে না পৌঁছায়।’

অপতথ্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক বিষয় নয়, বরং একটি নতুন ধরনের লড়াই। সবাই মিলে এই লড়াইয়ে অংশ নিতে পারলে ভবিষ্যতে কোনো বিপথগামী রাজনৈতিক শক্তির পক্ষেও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ভেঙে ফেলা সহজ হবে না।

প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাবেক প্রেস সচিব ও প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান সোহেল বলেন, গণমাধ্যম শুধু তথ্য বা সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, নাগরিকদের সচেতন করাও এর দায়িত্ব। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের লড়াই সমান্তরাল এবং গণতন্ত্রের জন্য স্বাধীন গণমাধ্যম অপরিহার্য।

গণমাধ্যমের মালিকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে মারুফ কামাল খান সোহেল বলেন, ‘একসময় বিত্তশালীরা পাহারাদার হিসেবে লাঠিয়াল বা কুকুর পুষতেন। এখন অনেক ক্ষেত্রে তাঁরা মিডিয়া ও সাংবাদিক পোষেন, যা দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা।’ তিনি অভিযোগ করেন, অনেক মালিকই পতিত ফ্যাসিবাদের অলিগার্ক হিসেবে কাজ করেছেন এবং সম্পাদকদের একটি অংশ স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিকাশে অনুকূল ভূমিকা রেখেছেন।

যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় পরিবর্তন এলেও অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো ধারা বহাল রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে ৬৯ জন সাংবাদিক নিহত হলেও কোনো ঘটনার বিচার হয়নি এবং প্রায় ২ হাজার সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হলেও বিচার পাননি।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেন, অপতথ্য নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তা জাতীয় সংকটে পরিণত হতে পারে। তিনি বলেন, দেশ বর্তমানে একধরনের ‘ডিজইনফরমেশন ওয়ার’-এর মধ্যে রয়েছে এবং বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও বাংলাদেশ নিয়ে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদের সময়ে অধিকাংশ গণমাধ্যম সরকারের প্রচারযন্ত্র হিসেবে কাজ করেছে।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআইডির প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ। এ ছাড়া বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসির জামাল, ডিইউজের সাবেক সভাপতি এলাহী নেওয়াজ খান সাজুসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।

কাল থেকে শুরু চার দিনের ডিসি সম্মেলন, আলোচ্য সূচিতে ৪৯৮টি প্রস্তাব

বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখার দায়িত্ব সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের: আইনমন্ত্রী

ঈদে কোনো অবস্থাতেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না: মালিক সমিতি

মামলার জট কমাতে ‘মেডিয়েশন’ কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান আইনমন্ত্রীর

ঢাকা-সিলেটে হবে ডাবল লাইন রেলপথ: প্রধানমন্ত্রী

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের কাল শপথ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হঠাৎ রমনা থানা পরিদর্শন, ১০ মিনিটে যা যা করলেন

শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত ও জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সিলেটে সুরমা নদীর বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা