হোম > জাতীয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হলেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হয়। সংসদ নেতা তারেক রহমানের প্রস্তাবনায় সভাপতিত্ব করেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম ঘোষণা করেন। পরে সংসদ সদস্যদের সমর্থনের ভিত্তিতে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

সাধারণত বিদায়ী সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হয় তাঁর সভাপতিত্বে। তবে এবার এর ব্যতিক্রম হচ্ছে। দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করার পর তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বিদায়ী ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক (টুকু) কারাগারে।

মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের রয়েছে বর্ণ্যাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। মহান মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য সাহসিকতার জন্য তিনি রাষ্ট্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্ব পদবি বীর বিক্রমে ভূষিত হন। ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তান ফুটবল দলের খেলোয়াড় ও অধিনায়ক। ১৯৬৪ সাল থেকে পরপর তিনবার পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানব ছিলেন। তাঁর বাবা ডাক্তার আজহার উদ্দিন ১৯৬৩ ও ১৯৬৫ সালে দুবার পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। সেনাবাহিনী থেকে অবসরে এসে বাবার পথ অনুসরণ করে রাজনীতিতে এসেও তিনি মানুষের মন কেড়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোলা-৩ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়ে ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে পরপর দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরশাদ পতনের পর ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে পান প্রতীকে ভোলা-৩ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। তাঁর সঙ্গে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা।

বিজয়ের পর ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ ও সপ্তম সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির হয়ে বিজয়ী হন তিনি। খালেদা জিয়ার মন্ত্রিপরিষদে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে তিনি ১৯ মার্চ ১৯৯৬ থেকে ২৯ মার্চ ১৯৯৬ পর্যন্ত বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অষ্টম জাতীয় সংসদে খালেদা জিয়ার তৃতীয় মন্ত্রিসভায় তিনি ১১ অক্টোবর ২০০১ থেকে ২২ মে ২০০৩ সাল পর্যন্ত পাটমন্ত্রী, ২২ মে ২০০৩ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০০৬ পর্যন্ত পানিসম্পদ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। চব্বিশের গণ-অভুত্থানের পর লালমোহন-তজুমদ্দিনের বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করেন। রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সপ্তমবারের মতো সংসদে যান।

স্থানীয় নির্বাচনে বড় পরিবর্তন: থাকছে না পোস্টার ও দলীয় প্রতীক, অক্টোবরে ভোটের প্রস্তুতি

প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহ যাচ্ছেন কাল

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নতুন মহাপরিচালক মুহিববুল্লাহিল বাকী

ঈদের ফিরতি যাত্রা: আজ মিলবে ১ জুনের ট্রেনের টিকিট

রোববারের মধ্যে চার্জশিট জমা দেবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিগ ক্যাট সুরক্ষা জোটে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ

পল্লবীর সেই শিশুর বাসায় প্রধানমন্ত্রী

পল্লবীর সেই শিশুর বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফেরাতে চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তামিমের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটি স্থগিতের রিট কার্যতালিকা থেকেই বাদ