চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা রকম সংকট হতে পারে উল্লেখ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, এই পরিস্থিতি সাশ্রয় ও রেশনিংয়ের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।
আজ বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন মন্ত্রী।
এ সময় ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘মিডলইস্টের এই ঘটনায় সারা বিশ্বে জ্বালানির ক্রাইসিস সৃষ্টি হয়েছে। আমাদেরও শর্টেজ হয়ে গেছে। যুদ্ধ যত দিন থাকবে, ক্রাইসিস তত দিন থাকবে। আমাদের যতটুকু সম্ভব সাশ্রয়ী হয়ে চলতে হবে। আমরা স্পট পারচেজের চেষ্টা করছি, কিন্তু তেমন কোনো রেসপন্স পাচ্ছি না। আমরা ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট করছি। এই সংকট বাংলাদেশের একার নয়, ভারত-পাকিস্তান সব দেশেই এই সংকট। যাতে কোনো বিপর্যয় না হয়, আমরা একটা বিরাট ক্রাইসিসের মধ্যে আছি এবং এটা ইউক্রেন যুদ্ধ থেকেও বড় ক্রাইসিস; সবাইকে মিলে এই ক্রাইসিস মোকাবিলা করতে হবে।’
তবে পরিস্থিতি খুব একটা নাজুক হবে না বলে আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ঈদের ছুটি পর্যন্ত চালিয়ে নিতে পারলে আর সংকট হবে না। ঈদের ছুটিতে ডিমান্ড কমে যাবে। লোডশেডিং অত বেশি হবে না। যা হবে সহনীয়ই হবে।
যুদ্ধের ফলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়বে কি না, এর সরাসরি উত্তর দেননি মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা রেশনিং করার চেষ্টা করছি। হঠাৎ করে ডিজেল সেল বেড়ে গেছে। এই ডিজেল ওপারে চলে যাচ্ছে। কারণ, ওখানে দাম বেশি। এ জন্য বিজিবি ও ডিসিদের কঠোর হতে বলেছি। সীমান্ত এলাকায় ডিজেল বিক্রি রেশনিং করছি। প্রধানমন্ত্রীকে আমরা প্রতিদিন পরিস্থিতি আপডেট করছি।’