হোম > জাতীয়

ভুয়া কোম্পানির নামে সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার কেনেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী, জব্দ করল সিআইডি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর ভাই ইউসিবি ব্যাংকের সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি এবং রনির স্ত্রী মেঘনা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ইমরানা জামান চৌধুরীর নামে থাকা মেঘনা ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার অবরুদ্ধ করেছে সিআইডি।

সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের অনুসন্ধানে অবৈধ অর্থ দিয়ে এসব শেয়ার কেনার প্রমাণ পাওয়ায় আদালতের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত ১৮ নভেম্বর সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসব সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছিলেন।

আজ বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান।

এক বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানায়, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন ব্যক্তিগত হিসাব এবং তাঁদের কাগুজে প্রতিষ্ঠান স্টিডফাস্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেড-এর নামে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ২০০ শেয়ার কেনা হয়, যার তৎকালীন বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। ওই শেয়ার পরে স্টক ডিভিডেন্ড যোগ হয়ে মোট শেয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫টিতে উন্নীত হয়।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, জালিয়াতি এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ অর্জন করেছেন। এই অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হয় এবং পুনরায় দেশে এনে বৈধ করার চেষ্টা করা হয় মর্মে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে সিআইডির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২২ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, সিঙ্গাপুর ও দুবাই থেকে ২ কোটি ২২ লাখ ৫ হাজার ৪৪৪ মার্কিন ডলার দেশে আনা হয়। এই টাকা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সহযোগী আবুল কাসেমের মাধ্যমে ইউসিবি ব্যাংক ও এনআরবিআইসি ব্যাংকের এফসি অ্যাকাউন্টে জমা হয়। পরে ইমরানা জামান চৌধুরী এবং স্টিডফাস্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের নামে ৬০ কোটি টাকা নগদ ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা করা হয়। ওই অর্থ কমিউনিটি ব্যাংকের একটি বিশেষ অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে ৫৯ দশমিক ৯৫ কোটি টাকা মেঘনা ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ে ব্যবহার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, স্টিডফাস্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটিতে উৎপল পালকে ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং নাসিম উদ্দিন মোহাম্মদ আদিলকে ডিরেক্টর হিসেবে দেখানো হয়েছে। তাঁরা দুজনই সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপেরও কর্মচারী এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে অনুসন্ধানে প্রকাশিত হয়। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদ্‌ঘাটন, অজ্ঞাত অন্য সদস্যদের শনাক্তকরণসহ অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার স্বার্থে সিআইডির অনুসন্ধান এখনো অব্যাহত রয়েছে।

২ সচিব প্রত্যাহার, দুই মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদে আলোচনা ৩১ মার্চ

জাপানি শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে ভাষা শিক্ষা, শিগগিরই সমঝোতা

৪ দিনের মাথায় এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী রশীদ মিয়ার নিয়োগ বাতিল

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গজ-সিরিঞ্জ কেনারও টাকা নেই: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংবিধান সংস্কার পরিষদের আলোচনা নিয়ে সংসদে উত্তেজনা

ফ্যাসিস্ট আমলে উন্নয়নের নামে চরম দুর্নীতি হয়েছে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল

প্রিপেইড মিটারের ‘মাসিক চার্জ’ পর্যালোচনা করা হচ্ছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

পুলিশের সংস্কার ও সক্ষমতা বাড়াতে ফ্রান্সের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদকে ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালনা করা গেলে দেশেও কায়েম সম্ভব: বিরোধীদলীয় নেতা