হোম > জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সংসদে আনা হোক: রুমিন ফারহানা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সংসদে রুমিন ফারাহানা। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি জাতীয় সংসদে তোলার দাবি করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের আগে সই হওয়া এই চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ধারা রয়েছে বলে তখন আপত্তি উঠেছিল। সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলও করতে পারে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এসব কথা বলেন তিনি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যমন্ত্রীর একটি বৈঠক হয়েছে এবং সেই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমাদের আমেরিকার সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে সেই বিষয়ে তিনি বেশ কিছু কথা বলেছেন। ওই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।’

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমরা রপ্তানি করি, আমেরিকা থেকে সে পরিমাণ পণ্য আমরা আমদানি করি না। যে কারণে একটা বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে বিরাট এবং এই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে।

চুক্তি সইয়ের সময় নিয়ে আপত্তি তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমরা জানি যে ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। তখন দেশের “সুশীল সমাজ” ও “থিংক ট্যাংক” মহল থেকে বলা হয়েছিল— একটি অনির্বাচিত সরকার এ ধরনের চুক্তি সই করতে পারে না।’

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এই চুক্তিতে অনেকগুলো ধারা আছে যেটা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। সুতরাং নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে তখন যেন এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু আনফরচুনেটলি আমরা দেখলাম যে, না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শোনে নাই এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।’

এ সময় রুমিন ফারহানা আরও কিছু বলতে চাইলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাঁকে থামিয়ে দেন।

স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় সদস্য, শুনুন এটি কোনো পয়েন্ট অব অর্ডার হলো না। ৩০১ বিধিতে আপনি পড়লে দেখতে পাবেন যে, পয়েন্ট অব অর্ডার সংসদের চলমান বিষয়ের উপড়ে হতে হয়, কিংবা সংসদ কাজে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য হতে হয়। আপনি একটি নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। আপনি নোটিশ দেন, এটি বিবেচনা করে দেখা হবে।’

স্পিকারের বক্তব্যের পরও রুমিন ফারহানা আরও এক মিনিট সময় চান। তখন তিনি বলেন, ‘এইটি ৬০ দিনের মধ্যে যদি সরকার চায়, তারা এটিকে বাতিল করতে পারে। চুক্তিটি সংসদে আনা হোক।’

তবে স্পিকার সেটি গ্রহণ করেননি। তিনি বলেন, ‘অর্ডার হিসেবে গ্রহণ করতে পারছি না বলে দুঃখিত।’

হজের প্রাক্‌-নিবন্ধন শুরু, হজযাত্রীদের দিতে হবে যেসব তথ্য

হোলি আর্টিজান ট্র্যাজেডির ১০ বছর: ৭ জাপানি নাগরিককে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করল জাইকা

দ্রুতই শুরু হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী

দুদক কমিশনার নিয়োগে জীবনবৃত্তান্ত চেয়েছে বাছাই কমিটি, আবেদন যেভাবে

সংসদে কোনো খেলা নাই, গেমও নাই: চিফ হুইপ

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না বেইজিং: চীনা রাষ্ট্রদূত

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের উদ্দেশে স্পিকারের ঢাকা ত্যাগ

ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন: ১৭ হাজার কোটির প্রকল্প ভুগছে নকশার ভুলে

আন্তদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন: ভারতের সঙ্গে শিগগির চালু হচ্ছে না ট্রেন

বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট