হোম > জাতীয়

স্বাধীনতাযুদ্ধ মূলত ছিল একটা সাংস্কৃতিক বিপ্লব: সংস্কৃতিমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

নিতাই রায় চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

স্বাধীনতাযুদ্ধকে সাংস্কৃতিক বিপ্লব হিসেবে অভিহিত করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কবিতা শুধু আমাদের কাঁদায় না, কবিতা মানুষকে জাগায়, মানুষকে সংগ্রামমুখর করে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটা শক্তিশালী উচ্চারণ, একটা প্রতিবাদ। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র ছিল গান-কবিতা।’

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ‘একুশের কবিতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘কবিতা শুধু আমাদের কাঁদায় না, কবিতা মানুষকে জাগায়, কবিতা মানুষকে সংগ্রামমুখর করে, কবিতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটা শক্তিশালী উচ্চারণ, একটা প্রতিবাদ। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের কথা যদি আমরা মনে রাখি, তখন সশস্ত্র হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আমাদের অস্ত্র ছিল গান-কবিতা। একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধ মূলত ছিল একটা সাংস্কৃতিক বিপ্লব, ঠিক তেমনি চব্বিশের যে জুলাই আন্দোলন, এটাও ছিল তরুণ-তরুণী, তরুণ শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের একটা ভাবনা।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশকে একটি নতুন, আধুনিক যুগোপযোগী বিশ্বের সঙ্গে একাত্ম করতে চাই। আজকে পৃথিবীর বিশ্বরাজনীতি যখন সংঘাত, সেখানে যখন ঘৃণা-বিদ্বেষ এবং বিভাজনে ভরা; আমরা সেখানে দেখাতে পারি, শেখাতে পারি যে—বিভাজন নয়, অনৈক্য নয়; ন্যায়সংগত অধিকার নিয়ে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে, সাম্যের পক্ষে লড়াই করে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, গতিশীল, আধুনিক ও ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।’

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে বিকেল ৪টায় কবিতা পাঠের এই আয়োজনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও গতিশীল ও বেগবান করা হবে। প্রকৃত অর্থেই যাতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে দেশের মানুষ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে পারে।

সভাপতির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)। ‘একুশের কবিতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শুরুতে কবিতা পাঠ করেন কবি মতিন বৈরাগী, আবৃত্তিশিল্পী টিটো মুন্সী, কবি মোহন রায়হান, কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, আবৃত্তিশিল্পী সীমা ইসলাম, কবি হাসান হাফিজ, কবি মাহবুব হাসান, আবৃত্তিশিল্পী ফারহানা তৃনা, কবি শাহাবুদ্দিন নাগরী, কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ, আবৃত্তিশিল্পী প্রমা আজিজ, কবি সাখাওয়াত টিপু, কবি রফিক হাসান, আবৃত্তিশিল্পী জাহান বশির, কবি জাকির আবু জাফর, কবি শাহীন চৌধুরী, আবৃত্তিশিল্পী এনামুল হক জুয়েল, কবি এ বি এম সোহেল রশিদ, কবি আসাদ কাজল, আবৃত্তিশিল্পী ফারজানা এলি প্রমুখ। সঞ্চালনায় ছিলেন কাজী বুশরা আহমেদ তিথি।

ট্রাইব্যুনালে তায়িমের বাবা: ওপরের নির্দেশে সুরতহালে গুলির কথা লেখেননি পুলিশ কর্মকর্তা

স্মার্ট বাংলাদেশের পথে ব্রডব্যান্ডই প্রধান শক্তি: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

সুনামগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে নতুন ডিসি

সংসদকক্ষে মোবাইলে কথা বলা ও ছবি না তোলার অনুরোধ চিফ হুইপের

সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে যা বললেন তায়িমের বাবা

তিন মাসে আড়াই হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক-অবরুদ্ধ করেছে দুদক

শাপলা চত্বর-কাণ্ডে আসামি হচ্ছেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন

আন্দামানে ট্রলারডুবিতে নিহতদের চারজন কক্সবাজারের

১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি