হোম > জাতীয়

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা প্রতি মাসে সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে পাবেন: কৃষিমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সংবাদ ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ। ছবি: আজকের পত্রিকা

দেশের হাওরাঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা কমপক্ষে সাড়ে সাত হাজার টাকা পাবেন। তাঁদের তিন মাসব্যাপী সহায়তা দেবে সরকার। ক্ষতি বিবেচনায় এ সহায়তা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

আজ সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান কৃষিমন্ত্রী। এর আগে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিসিদের অধিবেশন হয়।

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘হাওর এলাকায় যে সমস্ত কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল, অন্যান্য তহবিল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার তহবিল থেকে একটা অর্থসহায়তা দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। এখন যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সেটা পুষিয়ে দেওয়ার সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। আগামী তিন মাস তাদের সহায়তা দেওয়া হবে। শুরুতে আমরা সাড়ে সাত হাজার করে টাকা হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে দেব। এটার জন্য একটা কমিটি করা হচ্ছে এবং মাঠপর্যায়ে তালিকা করা হচ্ছে।’

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আলুর বাম্পার ফলন হলেও অনেক কৃষক ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। এ সমস্যা সমাধানে সরকার কৃষক কার্ড চালু করেছে। এটি পুরোপুরি কার্যকর হলে কোন জেলায়, কোন ইউনিয়নে, কত হেক্টর জমিতে কোন জাতের আলু চাষ হবে—তার তথ্য কৃষক জানতে পারবেন। কতজন কৃষক ইতিমধ্যে আবাদ করেছেন এবং কতটুকু আবাদ বাকি আছে তা-ও জানা যাবে। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে এটি কোটাব্যবস্থাতেও যেতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত উৎপাদন হলে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং ভোক্তারাও সঠিক দামে পণ্য কিনতে পারবেন। এতে উৎপাদক ও ভোক্তা উভয় পক্ষই উপকৃত হবে।

তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি মানুষের নিয়ন্ত্রণে নেই। অনেক সময় ভালো ফলনের পরও অতিবৃষ্টি বা বন্যায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ অবস্থায় খাদ্যাভ্যাসে আলুর ব্যবহার আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে এখন বিশেষ জাতের আলু উৎপাদনে সফলতা এসেছে, যেগুলো দিয়ে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও চিপস তৈরি করা হয়। আগে এসব আলু আমদানি করতে হতো। এবার দেশে ভালো উৎপাদন হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এসব আলু বিশ্ববাজারে রপ্তানির আশা করছে সরকার।

সীমান্ত দিয়ে গরু আসার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় কিছু হাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কারণ, সেখানে প্রকৃত ক্রেতার তুলনায় অস্বাভাবিক পরিমাণ গরু আসত। বিজিবিও এ বিষয়ে নজরদারি করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন করে সীমান্ত দিয়ে গরু আসবে না।

মন্ত্রী বলেন, দেশে গরুর উদ্বৃত্ত নেই, তবে ঘাটতির আশঙ্কাও নেই। খামারিরা বাজারদর অনুকূলে না থাকলে গরু বিক্রি না করে আরও কিছুদিন পালন করতে পারেন। ফলে অনেক সময় উদ্বৃত্তের ধারণা তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে শিক্ষিত তরুণদের কৃষি ও খামার ব্যবস্থাপনায় আগ্রহ বাড়ছে, যা কৃষি খাতের জন্য ইতিবাচক দিক।

ঢাকাকে ভূমিকম্প সহনশীল করতে ‘মেগা প্ল্যান’, নিয়োগ পাবেন ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী

বুলেট ট্রেনে দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্থায়ী দূতাবাস স্থাপনে সম্মত দুই দেশ

শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে জাপানের অভিজ্ঞতা নিতে চাই: ববি হাজ্জাজ

পেনশন পেতে আর দৌড়ঝাঁপ নয়, আসছে অনলাইন ট্র্যাকিং

দালিয়ানে ডব্লিউইএফ সম্মেলন: জলবায়ু ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী

দেশজুড়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন, পাবে ২ কোটি ৩৫ লাখ শিশু

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘কৃষক কার্ড’ পাওয়া টাঙ্গাইলের সেই আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই

জুয়া ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল

সংসদে জুলাই হত্যার বিচার চাইলেন শহীদ জাবিরের মা এমপি রোকেয়া বেগম