হোম > জাতীয়

আদানির সঙ্গে চুক্তি: আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে অনুসন্ধান কমিটি গঠনের নির্দেশ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে। আদেশের প্রত্যয়িত অনুলিপি হাতে পাওয়ার বিষয়টি আজ মঙ্গলবার জানিয়েছেন রিট আবেদনকারী আইনজীবী এম আবদুল কাইয়ূম।

হাইকোর্ট আদেশে আন্তর্জাতিক জ্বালানি ও আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এক মাসের মধ্যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অনুসন্ধান কমিটি গঠন করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালান সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন। আর চুক্তি সম্পাদন প্রক্রিয়া যথাযথ হয়েছে কি না, কমিটি গঠনের ৬০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চুক্তি সম্পাদনের আগে নেগোসিয়েশন-সংক্রান্ত সব তথ্য এক মাসের মধ্যে দাখিল করতে বলা হয়েছে আদেশে।

ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আবদুল কাইয়ূম গত ১২ নভেম্বর রিটটি করেন। রিটে আদানি গ্রুপের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিকে অসম, অন্যায্য ও দেশের স্বার্থপরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়। চুক্তির শর্তগুলো সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সংশোধন করতে বলা হয় রিটে। আর আদানি গ্রুপ রাজি না হলে চুক্তিটি বাতিল করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়।

ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ গত ১৯ নভেম্বর রুলসহ আদেশ দেন।

আদেশের পর আইনজীবী এম আবদুল কাইয়ূম বলেন, এখানে প্রতারণামূলকভাবে এই চুক্তি জাতির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটার খেসারত দেশের ১৮ কোটি মানুষকে দিতে হবে। এটি একপেশে। এখানে বাংলাদেশের স্বার্থ কোনোভাবেই রক্ষা করা হয়নি, শুধু আদানি গ্রুপের স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এর আগে নাইকো চুক্তিও হাইকোর্ট থেকে বাতিল করা হয়েছিল।

বনানীতে চিরনিদ্রায় শায়িত মুস্তাফা মনোয়ার

হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

রায়ের পরও হাসলেন ইনু

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড হলে ইনুর ১০ বছর হতে পারে না: চিফ প্রসিকিউটর

বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা

ফার্নেস তেলের দাম কমল লিটারে ৪ টাকা ৪৪ পয়সা

আমরা যারা পাবলিক ফিগার, প্রতিনিয়ত সাইবার নিপীড়নের শিকার হচ্ছি: রুমিন ফারহানা

জুনে মব সহিংসতায় নিহত ৩৩, আহত বেড়েছে ৭৭ শতাংশ: এমএসএফ

এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন—সংসদে জামায়াত এমপির প্রশ্ন

সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে জুয়া প্রতিরোধ বিল পাস