হোম > জাতীয়

তুরস্ক সম্মেলনে বিশ্বাসযোগ্য, স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যম গড়ে তোলার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি : সংগৃহীত

পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিশ্বাসযোগ্য যোগাযোগ, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের গুরুত্বারোপ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। আজ শুক্রবার ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন সামিটে এ আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেভদেত ইলমাজ এবং কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান বুরহানেত্তিন দুরান।

‘নতুন বৈশ্বিক কাঠামো: একটি যোগাযোগের দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী ক্ষমতার পরিবর্তন এবং অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তুরস্ক সরকারকে সময়োপযোগী এই আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, কৌশলগত যোগাযোগ এখন শাসন ব্যবস্থার একটি কেন্দ্রীয় উপাদান হয়ে উঠেছে এবং রাষ্ট্রগুলোকে ক্রমেই তাদের যোগাযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা ও ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

স্বপন জোর দিয়ে বলেন, অপ তথ্য মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। বিশেষ করে একটি স্বাধীন ও পেশাদার গণমাধ্যম। মন্ত্রী বলেন, ‘একটি শক্তিশালী চতুর্থ স্তম্ভ–সত্য প্রতিষ্ঠিত করা, জবাবদিহি নিশ্চিত এবং জন আস্থা বজায় রাখতে অপরিহার্য।’

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, মতপ্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে এমন আইন পর্যালোচনা করা এবং একটি স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলাসহ বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রম আলোচনায় তুলে ধরেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

কৌশলগত যোগাযোগের ক্ষেত্রে তিনটি মূল নীতি তুলে ধরেন মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, কৌশলগত যোগাযোগের ক্ষেত্রে তিনটি মূল নীতি হচ্ছে– বিশ্বাসযোগ্যতা, গণতান্ত্রিক সহনশীলতা এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তথ্যের বিশৃঙ্খলার সমাধান একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতির মধ্যেই নিহিত। যেখানে ‘অতি নিয়ন্ত্রণ’ ও ‘নিয়ন্ত্রণহীনতা’ উভয়ই পরিহার করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে শক্তিশালী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ মানবিক বিষয়গুলোতে তুরস্কের সমর্থনের প্রশংসা করেন।

প্যানেল আলোচনায় আরও অংশ নেন উত্তর সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাহসিন এরতুগ্রুলোগ্লু, সিরিয়ার তথ্য মন্ত্রী হামজা আলমুস্তাফা এবং কাজাখস্তানের সংস্কৃতি ও তথ্য বিষয়ক উপমন্ত্রী কানাত ঝুমাবায়েভিচ ইস্কাকভ।

শিল্পীদের যথাযোগ্য মর্যাদা দিতে চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী

নেপাল আমাদের সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও আতিথেয়তার চেতনায় অভিন্ন: সংস্কৃতিমন্ত্রী

বৈচিত্র্যকে যারা বিভাজনের পথে নিতে চায়, তারা দেশবিরোধী: তথ্যমন্ত্রী

১৬ হাজার টিকিট কাটতে আধা ঘণ্টায় দেড় লাখ হিট

ঈদযাত্রা: ট্রেনের ২৫ মের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

হাওরাঞ্চল: খোরাক বাঁচানোর চেষ্টায় কৃষক

বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল চালু ২৩ মে, টিকিট ১৭ মে থেকে

ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ অনুমোদন

সমুদ্রপথে ঝুঁকিপূর্ণ বিদেশযাত্রা বন্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক