চট্টগ্রামের জলপথকে কাজে লাগিয়ে পণ্য পরিবহনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জলপথকে পণ্য পরিবহনে ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আজ শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলে চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মধ্যে তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, একসময় নেদারল্যান্ডসে অনেক খাল ময়লা-আবর্জনায় বন্ধ হয়ে গেলেও সেগুলো পুনরুদ্ধার করে নৌযান ও পণ্য পরিবহনে ব্যবহার করা হচ্ছে। চট্টগ্রামেও এ ধরনের সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েছে। মানুষের দোরগোড়ায় নিরাপদ পানি পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। এই উদ্যোগকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি অর্থের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্ষা এলেই নগরীতে পানি নিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা দেয়। তাই বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থাকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম নগরীর ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে পানি সরবরাহ সেবার মান বাড়াতে নতুন সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক সই করা হয়। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পিপিপি মডেল নিয়ে আলোচনা হয়।