হোম > জাতীয়

চানখাঁরপুল হত্যাকাণ্ড: সাবেক ৮ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও ‘গণহত্যা’র মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আজ রায় ঘোষণা করা হবে।

আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করবেন।

মামলার প্রেক্ষাপট ও শহীদদের তালিকা

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত দিনে চানখাঁরপুল এলাকায় পুলিশের নির্বিচার গুলিতে ছয়জন তরুণ শহীদ হন। তাঁরা হলেন— শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদি হাসান জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রসিকিউশন গত বছরের ২১ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে এবং পরে আট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।

এই মামলার মোট আটজন আসামির মধ্যে চারজন বর্তমানে কারাগারে আছেন এবং বাকি চারজন পলাতক।

কারাগারে থাকা আসামিরা হলেন:

১. মো. আরশাদ হোসেন (সাবেক পরিদর্শক, শাহবাগ থানা)

২. মো. সুজন হোসেন (সাবেক কনস্টেবল)

৩. মো. ইমাজ হোসেন ইমন (সাবেক কনস্টেবল)

৪. মো. নাসিরুল ইসলাম (সাবেক কনস্টেবল)

পলাতক আসামিরা হলেন:

১. হাবিবুর রহমান (সাবেক কমিশনার, ডিএমপি)

২. সুদীপ কুমার চক্রবর্তী (সাবেক যুগ্ম কমিশনার, ডিএমপি)

৩. শাহ্ আলম মো. আখতারুল ইসলাম (সাবেক এডিসি, রমনা অঞ্চল)

৪. মোহাম্মদ ইমরুল (সাবেক এসি, রমনা অঞ্চল)

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১১ আগস্ট শহীদ আনাসের বাবার জবানবন্দির মাধ্যমে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। দীর্ঘ ২৩ কার্যদিবসে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৬ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। প্রসিকিউশন পক্ষ অপরাধের প্রমাণ হিসেবে ১৯টি ভিডিও, ১১টি সংবাদপত্রের প্রতিবেদন, অডিও রেকর্ড এবং শহীদদের মৃত্যুসনদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি আদালতে পেশ করেছে।

গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ২০ জানুয়ারি তারিখ পিছিয়ে আজ ২৬ জানুয়ারি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি ট্রাইব্যুনালের দ্বিতীয় রায়। এর আগে গত ১৭ নভেম্বর প্রথম রায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ আজকের রায়ে আট আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) দাবি করেছে। অন্যদিকে, আসামিপক্ষ সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসামিদের বেকসুর খালাস প্রার্থনা করেছে। আজ ট্রাইব্যুনালের রায়ের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে এই সাবেক আট পুলিশ কর্মকর্তার ভাগ্য।

মাঠপর্যায়ে সব সিদ্ধান্ত হতে হবে সংযত—সশস্ত্র বাহিনীর তিন প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

কমিশন কোনো মহল থেকেই চাপের সম্মুখীন হয়নি: ইসি রহমানেল মাছউদ

আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগ দিন: ইসি সচিব

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পেতে আবেদন করা যাবে অনলাইনে, যেভাবে করবেন

নির্বাচন উপলক্ষে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা বন্ড: ৩ মাসে একবার প্রবেশের অনুমতি মিলবে

নির্বাচন ইস্যুতে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

চানখাঁরপুল হত্যাকাণ্ড: সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুরসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ সংশোধন, সদস্য বাড়ল কমিশনে

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও সুরক্ষা দিয়ে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারি