হোম > জাতীয়

‘পার্সেল প্রতারক’ চক্রের মূল হোতাসহ ১১ জন কারাগারে, রিমান্ড শুনানি কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় ‘পার্সেল প্রতারক’ চক্রের মূল হোতা বিপ্লব লস্করসহ ১১ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহমেদ কারাগারে পাঠানোর এই নির্দেশ দেন।

অন্য ১০ আসামি হলেন সুমন হোসেন ওরফে ইমরান, মোহসিন হোসেন ওরফে শাওন, ইমরান হাসান ওরফে ইকবাল, নাজমুল হক রনি, মোসা. নুসরাত জাহান, নাইজেরিয়ান নাগরিক চিডি, ইমানুয়েল, জন, অ্যাঙ্গোলিয়ান নাগরিক উইলসন ডে কনসিকাউ ও ক্যামেরুনের নাগরিক গুলগ্নি পাপিনি।

আজ মঙ্গলবার দুপুরের পর তাঁদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। মিরপুর মডেল থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। আদালত প্রত্যেককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে বুধবার রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

এর আগে সোমবার রাতে রাজধানীর মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের ওয়েব বেজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম। এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি গুলি, একটি ম্যাগাজিন, ২৮টি মোবাইল, একটি কম্পিউটার, ৪৯১টি এটিএম কার্ড, ২৬টি চেক বই, তিনটি ওয়্যারলেস পকেট রাউটার, একটি প্রাইভেট কার, সাড়ে ৩ লাখ জাল টাকা, নগদ ১১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ও ২৬৩টি সিমকার্ড জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, পার্সেল প্রতারকেরা কখনো বাংলাদেশে বসে আবার কখনো দেশের বাইরে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে পার্সেলে ডলার অথবা মূল্যবান উপহার পাঠানোর ফাঁদ পেতে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। চক্রের দেশি-বিদেশি সদস্যরা বিভিন্ন পন্থায় সাধারণ মানুষের ফেসবুক আইডি, হোয়াটসঅ্যাপ, ই-মেইল সংগ্রহ করে ইউএস আর্মি, ইউএস নেভিসহ বিভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে টার্গেট ব্যক্তিদের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। সম্পর্কের একপর্যায়ে স্বর্ণ, মূল্যবান পাথর, হিরা, বিশাল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা, ডলার/ইউরো ইত্যাদি উপহার পাঠানোর কথা বলে ফাঁদে ফেলতেন তাঁরা। এরপর সেগুলো ব্যক্তির নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে ভুয়া পার্সেলের ছবি পাঠাতেন। প্রতারিত ব্যক্তিরা সরল বিশ্বাসে পার্সেল গ্রহণের অপেক্ষায় থাকেন। প্রতারক চক্রের কলিং বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশি প্রতারকেরা বিভিন্ন অপারেটরের নম্বর ব্যবহার করে নিজেকে কাস্টমস অফিসার পরিচয় দিয়ে জানায়, কিং এক্সপ্রেস সার্ভিস থেকে একটি পার্সেল এসেছে। পার্সেলটি ছাড়াতে কাস্টম হাউস ফি বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা পরিশোধ করতে হবে। 

পার্সেল পাওয়ার আশায় কাস্টমস কর্মকর্তার দাবি করা টাকা পাঠিয়ে দেন। এরপর কাস্টমস কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী ব্যক্তি আবারও ফোন করে জানান, বিদেশি বন্ধুর পাঠানো পার্সেলে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ডলার রয়েছে। যা ছাড়াতে আরও বেশি টাকা প্রয়োজন। এই টাকা দিতে ব্যর্থ হলে প্রতারিত ব্যক্তির নামে মানি লন্ডারিং আইনসহ অন্যান্য আইনে মামলা হবে। এভাবে মিথ্যা ভয়ভীতি দেখানো হয়। 

উল্লেখ্য, বিপ্লব লস্করের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অর্থ পাচারসহ শতাধিক মামলা রয়েছে।

তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল

সড়ক দুর্ঘটনা: ক্ষতিপূরণ আবেদনের সময় বাড়িয়ে দ্বিগুণ করার প্রস্তাব

এনইআইআর চালু: একজনের নামে ২০০ ফোনসেট নিবন্ধন!

সংসদ নির্বাচন: আযাদ, মান্নাসহ ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল

একটি আইএমইআই নম্বরেই ৩ কোটি ৯১ লাখ স্মার্টফোন: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

গুরুতর অসুস্থ ড. কামাল হোসেন হাসপাতালে ভর্তি

‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ স্লোগানে গণভোটের প্রচারে সরকার

আরও একটি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দিল সরকার

বায়তুল মোকাররমে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া

নির্বাচন ও গণভোট: কেন্দ্র বাড়ছে না, ভোটকক্ষ ও গোপন কক্ষ বাড়ছে