ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ
আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধঘোষিত ফ্যাসিবাদী শক্তির দুষ্কৃতকারীরা ঝটিকা মিছিল বা ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটিয়ে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, গুলশান ও হাইকোর্ট-সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত ঘটনাগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতিমধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
এ সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তারিখ উল্লেখ করে সে পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যে সম্ভাব্য সূচি প্রকাশ করেছে, তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবদের অংশগ্রহণে আন্তমন্ত্রণালয় সভার মতামতের আলোকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ও আইনি এখতিয়ার অনুযায়ী কাজ করে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে।
এর আগে সচিবালয়ে ‘ঢাকা মহানগরীতে চলমান ও নির্ধারিত মেগা প্রকল্পসমূহের নির্মাণকাজের কারণে উদ্ভূত যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও অংশীজনদের সমন্বয় সভা’ অনুষ্ঠিত হয়। সে সভার বিষয়ে সংবাদ ব্রিফিং করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়া, ভোগান্তি কমানো এবং জনস্বার্থে সময় ও অর্থের অপচয় রোধ করা। বিশেষ করে, বর্ষা মৌসুমে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির প্রবণতা প্রকট আকার ধারণ করে। আন্তসংস্থা সমন্বয়ের মাধ্যমে একই সময়ে ইউটিলিটি শিফটিং বা অন্যান্য নির্মাণকাজ যাতে সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।