হোম > জাতীয়
নুসরাত হত্যা মামলা

১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড, বিচারকের ফৌজদারি বিচারের ক্ষমতা কেড়ে নিতে বললেন হাইকোর্ট

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইল ছবি

ফেনীর মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময় ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বিচারক মামুনুর রশিদের ফৌজদারি মামলার বিচার করার ক্ষমতা কেড়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আজ সোমবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন।

এর আগে ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল এবং জেল আপিল নিষ্পত্তি করে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীমের।

মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে নূর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জুবায়ের ও উম্মে সুলতানা ওরফে পপিকে।

খালাস দেওয়া হয়েছে ১০ জনকে। তাঁরা হলেন সোনাগাজী পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম ওরফে মোকসুদ কাউন্সিলর, হাফেজ আব্দুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মনি, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদ্রাসার সাবেক সহসভাপতি রুহুল আমিন, মহিউদ্দিন শাকিল ও মোহাম্মদ শামীম।

রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ১০ জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের দৃষ্টিতে কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাঁদের খালাস দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে বলেছেন, এই মামলায় নিম্ন আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ তাঁর জুডিশিয়াল মাইন্ড অ্যাপ্লাই করতে ব্যর্থ হয়েছেন। রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে কার কীভাবে দণ্ড দেওয়া উচিত, কার কতটুকু সম্পৃক্ততা—সেটাও আমলে নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই, ওই বিচারককে ফৌজদারি মামলার বিচার থেকে সরিয়ে দিতে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রতি নির্দেশনা প্রকাশ করেছেন।

২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল নুসরাত মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষা দিতে গেলে পরিকল্পিতভাবে সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে নুসরাতের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত নুসরাতকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যায় নুসরাত।

ওই ঘটনায় নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান ৮ এপ্রিল মামলা করেন। এই মামলায় ওই বছরের ২৮ মে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচার শেষে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায়ে ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। পরে ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য মামলার নথি পাঠানো হয় হাইকোর্টে। সে সঙ্গে আপিল ও জেল আপিল করেন আসামিরা।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে বৈঠক

নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়ে জামায়াতের বক্তব্যকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলছে টিআইবি

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

হাসিনা-কামালের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি

বে টার্মিনালে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের পিএসএ

গ্যাস সরবরাহ চার দিন বন্ধ থাকার সংবাদ বিভ্রান্তিকর: পেট্রোবাংলা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে জাপান সফরের অভিজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বর সকালে ৬ ঘণ্টা টোল ‎ফ্রি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান

শ্রমিকদের বিক্ষোভে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, ড্রোনে নজরদারি