হোম > জাতীয়

ওসমানীর জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি সংসদে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

জেনারেল এম এ জি ওসমানী। ছবি: সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন এবং তাঁর জীবন, সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০২-এ এ বিষয়ে নোটিশ দেন বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) মনিরুল হক চৌধুরী। তাঁর নোটিশটি গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সরাসরি এমপিকে জবাব দেওয়ার পাশাপাশি সংসদ সচিবালয়কেও অবহিত করতে বলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, এম এ জি ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন না হওয়ায় নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর অবদান যথাযথভাবে পৌঁছাচ্ছে না। সম্প্রতি ওসমানীর জন্মবার্ষিকীর একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে আয়োজনে তরুণদের উপস্থিতি কম দেখে হতাশ হওয়ার কথাও সংসদে বলেন তিনি। এমপি বলেন, স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তকেও ওসমানীর জীবন ও অবদান যথেষ্টভাবে তুলে ধরা হয়নি। ওসমানীর জীবন, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব, সততা ও দেশপ্রেম পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান মনিরুল। তিনি বলেন, ‘জেনারেল ওসমানী আজ অবহেলার শিকার বলে আমি মনে করি।’

জাতীয় সংসদের মূল প্রবেশদ্বারের নাম ‘এম এ জি ওসমানী গেট’ রাখার উদ্যোগের প্রশংসা করেন মনিরুল হক। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, একইভাবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা উচিত।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বয়স ও ব্যক্তিগত অবস্থান উপেক্ষা করে ওসমানী সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব নিয়েছিলেন উল্লেখ করে মনিরুল বলেন, স্বাধীনতার পর মন্ত্রিত্বে থেকেও একদলীয় শাসনব্যবস্থার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। তাঁর এসব ভূমিকা নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।

নোটিশের একপর্যায়ে ওসমানীর সামরিক ও রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেন মনিরুল হক। তাঁর বক্তব্য শেষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তিনি জাতির একজন গুরুত্বপূর্ণ সন্তানকে নিয়ে একটি বিষয় সংসদে তুলে ধরেছেন। স্পিকার বলেন, নোটিশটি সংসদে উত্থাপিত হলো। এরপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মনিরুল হক চৌধুরীকে জবাব দিতে ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়কে অবহিত করতে বলেন তিনি।