পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নেওয়ার পর প্রয়াত বাবা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর হাইকোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সকাল ৮টা ৩৮ মিনিটে শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাবা-মায়ের সমাধিস্থলে যান তিনি ও তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।
শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যানে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান প্রথমে একান্তে প্রয়াত বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন। তাঁরা সেখানে ফাতেহা পাঠ ও রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষস্থানীয় নেতা ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী পুনরায় ফাতেহা পাঠ করেন এবং সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ; সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন; প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী; প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলাম; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান ও সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর।
শেরেবাংলা নগরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা সরাসরি রাজধানীর বনানী কবরস্থানে যান। সেখানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ছোট ভাই প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।
বনানীতে কবর জিয়ারতের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৭টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দেশের প্রধান ঈদ জামাতে সাধারণ মুসল্লিদের সঙ্গে নামাজ আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নামাজে দেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।