হোম > জাতীয়

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: মঈনের চার সহযোগী ৪ দিনের রিমান্ডে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

আলোচিত চিকিৎসক কামরুল ইসলামের সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে (সিকেডি) চাঁদাবাজির ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মঈন উদ্দিন মঈনের চার সহযোগীকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাঁদের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

যাঁদের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন মো. ফালান মিয়া (৪২), মো. রুবেল (৪২), মো. সুমন (৩৬) ও মো. লিটন মিয়া (৩৮)।

দুপুরের দিকে এই চারজনকে আদালতে হাজির করে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. ছাব্বির আহমেদ প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিলের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গতকাল রোববার অভিযান চালিয়ে এই চারজনকে আটক করে পুলিশ। পরে চাঁদাবাজির এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।

রাজধানীর শ্যামলীতে সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় গত শনিবার (১১ এপ্রিল) মঈন উদ্দিনকে (মঈন) প্রধান আসামি করে মামলা করেন হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, মঈন ও তাঁর সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ৫ লাখ টাকা দাবি করে আসছেন। দাবি করা চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা তাঁকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখান এবং হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে শেরেবাংলা নগর থানার শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে তাঁর বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলেন। তাঁর স্ত্রী দরজা খুলে দিলে মঈন তাঁকে বলেন, চাঁদা বাবদ এখনই তাঁদের ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে বাদীসহ তাঁর স্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির হুমকি দেন তাঁরা। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, তিনি বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করেন এবং পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত তাঁর ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) বাসায় আসতে ফোন করেন। পরে তাঁর ভাই বাসায় পৌঁছালে মঈনসহ অজ্ঞাতনামা সাত-আটজন ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেন। তাঁরা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন, উচ্চস্বরে স্লোগান দেন, গালাগালি করেন এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালান।

এমনকি তাঁরা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে হুমকিসূচক স্লোগান দিতে থাকেন। এ ছাড়া তাঁরা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে তাঁরা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেন। এর ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে এই মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত চলমান। আসামিরা পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাঁরা প্রকৃত ঘটনার কথা স্বীকার না করে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। মামলার ঘটনার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন, পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের পরিচয় এবং গ্রেপ্তার, পরিকল্পনাকারী ও উসকানিদাতাদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য তাঁদের সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

তিন মাস সরকারি জ্বালানি নেবেন না প্রযুক্তিমন্ত্রী

ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে: প্রধানমন্ত্রী

পাঁচ বছরে তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার: উপদেষ্টা রেহান

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপের সিইওর বৈঠক

আইজিপির সঙ্গে জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশনের সাক্ষাৎ

কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে কাল টাঙ্গাইল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ব্যাংক আইনে ‘লুটেরাদের’ পুনর্বাসন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত: টিআইবি

খোলাচিঠি লিখে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সদস্যদের একযোগে পদত্যাগ