হোম > জাতীয়

সালমান এফ রহমানকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সালমান এফ রহমান। ফাইল ছবি

ঋণের নামে জনতা ব্যাংক থেকে প্রায় দেড় শ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা। এর আগে গতকাল রোববার তাঁকে প্রথম দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুদকের সেগুনবাগিচার প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে একটি টিম এ জিজ্ঞাসাবাদ করে।

দুদক সূত্রটি জানায়, এ দিন বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত টানা সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সালমান এফ রহমানকে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে তাঁকে প্রিজন ভ্যানে করে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ৮ জানুয়ারি ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগে সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ওই মামলায় আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সালমান এফ রহমানের ভাই এ এস এফ রহমান, সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান এবং এ এস এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমান।

এ ছাড়া কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান খান, পরিচালক সৈয়দ তানভীর এলাহী, ক্রিসেন্ট অ্যাকসেসরিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নাঈম মাহমুদ ও পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমানসহ বেক্সিমকো ও জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের অনুকূলে ইডিএফ সুবিধাসহ বিভিন্ন ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করেন। পরে এলসির মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি দেখিয়ে অ্যাকোমোডেশন বিল তৈরি করে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩১ টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করা হয়।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেড একটি নবসৃষ্ট প্রতিষ্ঠান ও এর পরিচালকদের ব্যবসা পরিচালনায় কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না।

এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪৭৭(ক) ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর (সংশোধিত ২০১৫) ৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

নির্বাচনে পুলিশের থাকবে বডি ক্যামেরা, এদিক-সেদিক করলে জামিনের পরেও ধরা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে আনসার-ভিডিপিকে পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান মহাপরিচালকের

সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে ‘মব ভায়োলেন্স’ সব সময় ছিল: শফিকুল আলম

অপতথ্যের মহামারি নিয়ন্ত্রণে সরকারের টুলগুলো খুবই সীমিত: শফিকুল আলম

চীন-যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা

ডেসকোর সাবেক এমডি ও প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্লট পেতে শেখ হাসিনাকে বারবার ফোন দিতেন টিউলিপ: আদালত

নির্বাচনে কোন বাহিনীর কতজন দায়িত্ব পালন করবেন জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সাবেক প্রধান বিচারপতি রাজউক চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা