হোম > জাতীয়

রেলওয়ের জমি-ট্রেনে বিজ্ঞাপনে নতুন নীতিমালা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইল ছবি

বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি, স্থাপনা ও ট্রেনে বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার। আজ বুধবার ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ডিং নীতিমালা-২০২৬’-এর গেজেট প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে ২০১৩ সালের পুরোনো বিজ্ঞাপন নীতিমালা বাতিল করা হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা, পরিবেশ ও নান্দনিকতা বজায় রেখে রেলওয়ের জমি, ভবনের দেয়াল ও ছাদে বিজ্ঞাপন বোর্ড স্থাপন করা যাবে। যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচের ভেতরে ও বাইরেও বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন আহ্বানের বিজ্ঞপ্তি দুটি জাতীয় দৈনিক ও রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। আবেদন যাচাই ও সুপারিশের জন্য বিভাগীয় ও মহানগর এলাকায় আলাদা কমিটি গঠন করা হবে। ১ কোটি টাকা পর্যন্ত চুক্তির অনুমোদন দেবেন রেলওয়ের মহাপরিচালক। এর বেশি হলে অনুমোদন নিতে হবে রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকে।

আবেদনকারীদের ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট, আয়কর সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাকে সাধারণত বিজ্ঞাপনের অনুমতি দেওয়া হবে। একেকটি বিজ্ঞাপনের অনুমোদনের মেয়াদ সর্বোচ্চ তিন বছর।

নীতিমালায় রেললাইন, সড়ক, লেভেল ক্রসিং, সেতু ও ট্রাফিক সিগন্যালের কাছে বিজ্ঞাপন বোর্ড স্থাপনে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ট্রেনচালকের দৃষ্টিতে বাধা সৃষ্টি করে বা যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় এমন স্থানে বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না।

অশ্লীল, আপত্তিকর, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী, রাজনৈতিক উসকানিমূলক ও তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফ্ল্যাশিং লাইট বা অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলোকিত বিজ্ঞাপনও নিষিদ্ধ থাকবে।

কারিগরি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব বিজ্ঞাপন কাঠামোকে ভূমিকম্প ও ঝড় সহনীয় হতে হবে এবং অদাহ্য উপকরণ দিয়ে তৈরি করতে হবে। এলইডি সাইন বা বিলবোর্ডের সর্বোচ্চ আকার ৪০ ফুট বাই ২৫ ফুট এবং ভূমি থেকে সর্বোচ্চ ২৫ ফুট উচ্চতায় স্থাপন করা যাবে। ইউনিপোলের আকার ৩০ ফুট বাই ১৫ ফুট এবং মেগা সাইনের আকার ৬ ফুট বাই ৪ ফুট নির্ধারণ করা হয়েছে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, অনুমোদন পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বিজ্ঞাপন বোর্ড স্থাপন করতে হবে। না করলে অনুমতি বাতিল হবে। বার্ষিক ভাড়ার ৩০ শতাংশ জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে এবং সম্পূর্ণ ভাড়া অগ্রিম পরিশোধের পর চুক্তি কার্যকর হবে।

বিজ্ঞাপন বোর্ডের কারণে কোনো দুর্ঘটনা বা ক্ষয়ক্ষতি হলে তার দায় সম্পূর্ণভাবে বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজ খরচে তা অপসারণ বা পুনঃস্থাপন করতে হবে।

নতুন নীতিমালায় এলাকাভেদে বিজ্ঞাপন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, টঙ্গী, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম মহানগরে বিদ্যুৎবিহীন বিজ্ঞাপনের সর্বনিম্ন ভাড়া প্রতি বর্গফুট ৪০০ টাকা এবং ট্রাইভিশন বা বিদ্যুতায়িত বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এলইডি সাইনের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিলেট, খুলনা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও কক্সবাজার এলাকায় এ হার কিছুটা কম রাখা হয়েছে। অন্যান্য এলাকায় সর্বনিম্ন হার নির্ধারণ করা হয়েছে আরও কম।

বিশেষ দিবস বা উৎসব উপলক্ষে ১৫ দিনের স্বল্পমেয়াদি বিজ্ঞাপনের জন্য স্টেশন ভেদে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আরও চারজন

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে খোলা হয়েছে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ

আসন্ন ঈদুল আজহায় পুলিশের একগুচ্ছ জরুরি নিরাপত্তা পরামর্শ

ভুয়া রিপোর্টিংয়ে দুর্বল কোম্পানি ঢুকেছে পুঁজিবাজারে: অর্থমন্ত্রী

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জেতায় বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

হামের প্রাদুর্ভাবের কারণ তদন্তে কমিটি গঠনে রুল

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত, কর্মকর্তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত

গুলি করা হয়েছে মরেনি, ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলুন: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর জবানবন্দি

পরিবেশ রক্ষায় খাল-নদীদূষণ রোধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী