হোম > জাতীয়

মাদকের অর্থে অর্জিত অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: আজকের পত্রিকা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে মাদকের অর্থে অর্জিত অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে। এ সংক্রান্ত বিধান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংশোধিত আইনে যুক্ত করা হচ্ছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী বিল উত্থাপিত হবে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু খুচরা বিক্রেতা নয়, মাদক ব্যবসার গডফাদার ও অর্থ জোগানদাতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছে। মাদকের অর্থে অর্জিত অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্তের বিধানও সংশোধিত আইনে যুক্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৯টি মানি লন্ডারিং মামলা হয়েছে এবং আরও ২৩টি অনুসন্ধান চলছে।

মন্ত্রী জানান, আগামী দুই-একদিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী বিল উত্থাপন করা হবে। সংশোধিত আইনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি সংস্থার কর্মকর্তাদের ৯ মিলিমিটার পিস্তলসহ আধুনিক অস্ত্র এবং যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিধান রাখা হচ্ছে।

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশকে জুয়া ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, তরুণ সমাজকে মাদক ও জুয়ার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার এবং সে লক্ষ্যেই আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধু ঢাকাতেই প্রায় ৮০ হাজার মাদক মামলা বিচারাধীন। এ জট কমাতে প্রয়োজনীয় স্থানে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি জেলায় আধুনিক কেমিক্যাল ল্যাব স্থাপন, ডগ স্কোয়াড সংযোজন এবং হাজতখানা স্থাপনের প্রস্তাবও রয়েছে।

অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল মাধ্যমে মাদক পাচারের বিস্তার উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৮৬৭ সালের জুয়া আইন দিয়ে বর্তমান সময়ের অনলাইন বেটিং ও ক্রিপ্টো-সংশ্লিষ্ট অপরাধ মোকাবিলা সম্ভব নয়। তাই আইনি কাঠামো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকাসক্তরা অপরাধী নন, তারা রোগী। তাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য বিভাগীয় পর্যায়ে ২০০ শয্যার সরকারি নিরাময় কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি পুনর্বাসন কেন্দ্রের সক্ষমতা এবং মনোসামাজিক কাউন্সেলিং সেবা আরও জোরদার করা হবে।

দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডরে আগ্রহ বেইজিংয়ের

সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার ঠেকাতে কঠোর হওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরে ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই

বেনজীরকে ফেরানোর বিষয়ে আমিরাত সরকার এখনো কিছু জানায়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ফেসবুকে ভুয়া হজ প্যাকেজ: লেনদেন না করতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা

বিশ্ব বদলাবে, কিন্তু বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব নয়: সি চিন পিং

জুলাইয়ে শুরু ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে’র দ্বিতীয় মৌসুমের নিবন্ধন

চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক