হোম > জাতীয়

রেলে ১ টাকা আয়ে খরচ আড়াই টাকা, দায়ী দুর্নীতি ও অপচয়: উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কমলাপুরে রেলপথ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। ছবি: আজকের পত্রিকা

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেছেন, ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি লোকসানি প্রতিষ্ঠান। এক টাকা রোজগারের জন্য আড়াই টাকার মতো খরচ হয়। এটার পেছনে দুইটা কারণ—রেলের দুর্নীতি ও অপচয়। অপচয় ও দুর্নীতি কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছি আমরা।’

আজ বুধবার সকালে কমলাপুর রেল স্টেশনে ঢাকা-ভৈরব বাজার রুটে নতুন একটি কমিউটার ট্রেনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ফাওজুল কবির খান।

রেলের লোকসানের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘রেলের লোকসানের আরও একটি কারণ হলো, বিনা টিকিটে যাত্রী পরিবহন। রেলওয়ে সেবার মূল্য অনেক কম। অনেকেই ট্রেনে উঠে ভাড়া দেন না। এইভাবে যদি চলতে থাকে, তাহলে রেলওয়ের সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাবে। লোকসান বাড়লে রেলের সেবা কমানো ছাড়া আমাদের কোনো উপায় থাকবে না।’

রেলের দুর্নীতির বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘রেলের সচিব ও ডিজিকে সুনির্দিষ্ট টার্গেট দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা মনিটর করব এক টাকা উপার্জন করতে কত টাকা খরচ হয়। সেটা অবিলম্বে ২-এর নিচে আনতে হবে। এটা করতে হলে বাধ্য হয়ে তাদের দুর্নীতি কমাতে হবে।’

লোকোমোটিভ সংকটের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘লোকসানি প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে রেলের লোকোমোটিভ ও কোচের সংকট আছে। পুরোনো কোচ দিয়ে আমাদের ট্রেন চালাতে হচ্ছে। নতুন কোচ সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছি। আজ অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে চীনে একটি দল যাচ্ছে। সেখানে রেলের কোচ এবং ইঞ্জিনের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা তোলা হবে।’

সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে রেল উপদেষ্টা বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঢাকার বাইরের শহরের মানুষের প্রয়োজনের দিকে নজর দিচ্ছে। প্রফেসর ইউনূস উপদেষ্টাদের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার বাইরে উন্নয়ন পৌঁছাতে হবে। আমাদের উন্নয়ন হবে নামফলকবিহীন উন্নয়ন। ফলকে কারও নাম আর থাকবে না, শুধু সময়ের উল্লেখ থাকবে। নামফলকবিহীন উন্নয়নের যুগের সূচনা করতে চাই আমরা।’

চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপে ফেরি চলাচল উদ্বোধন প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন, ‘সেখানে কিন্তু সব উপদেষ্টা উদ্বোধনের জন্য যান নাই। ঘাট উদ্বোধনের জন্য গেছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা এবং আমি গিয়েছিলাম বিআরটিসি বাস সার্ভিস উদ্বোধনের জন্য। বাকি উপদেষ্টা এবং দুই বিশেষ সহকারী তাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তদারক করার জন্য গিয়েছিলেন।’

ট্রেনের স্টপেজের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে উপদেষ্টা বলেন, ‘সবাই ট্রেনের স্টপেজ চায় বাড়ির কাছে। তবে আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজের সংখ্যা কম হবে। লোকাল ট্রেনের স্টপেজ সংখ্যা বেশি থাকবে।’

অনলাইনে ট্রেনের টিকিটের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘অনলাইনে ট্রেনের টিকিটের বিষয়ে যেসব অনিয়ম ছিল সেগুলোর অনেকটাই কমে গেছে। ঈদের সময় টিকিটের চাহিদা চার-ছয় গুণ বেড়ে যায়। ট্রেনের সংখ্যা না বাড়াতে পারলে ছয়জনের মধ্যে একজন টিকিট পাবে না। তার পরও রেলের কোনো কর্মকর্তা টিকিট জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব। অলরেডি ২২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বলেন, ‘টিকিটবিহীন কোনো যাত্রী ট্রেনে উঠবেন না। যাঁরা টিকিট ছাড়া ট্রেনে ভ্রমণ করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, ‘ঈদের সময় কোনো ট্রেনে সিট খালি থাকে না। ঈদের সময় প্রতিটি ট্রেনের ২৫ ভাগ স্ট্যান্ডিং টিকিট দেওয়া হয় যাত্রীদের।’

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা সংকট: ১২ দিনে ঢাকায় বাতিল ৩৯১ ফ্লাইট

ভোট ছাড়া সংরক্ষিত আসনে বসার কোনো অর্থ নেই

৮ হাজার আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্বরাষ্ট্রের সম্মতি ছাড়াই

তদবিরের জন্য ‎কর্মস্থল ছেড়ে মন্ত্রণালয়ে না যেতে আইজিপির নির্দেশ

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন এমডি বাছির জামাল

প্রসিকিউটরদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি

দিলীপ আগরওয়ালার ব্যাংক হিসাব, শেয়ার ও গাড়ির তথ্য চায় দুদক

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগপত্র অনুমোদন

স্ত্রীসহ লে. কর্নেল আসাদুল ইসলামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বিমান চলাচল খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে জোর সিভিল এভিয়েশনের সেমিনারে