জবাবে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বাংলাদেশে বর্তমানে রুট হিসেবে রেলপথের দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ৪২৮ কিলোমিটার এবং ট্র্যাক হিসেবে ৪ হাজার ৮২৮ কিলোমিটার। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও রেলওয়ে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বাংলাদেশের সব জেলাকে পর্যায়ক্রমে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার এই লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে কক্সবাজার-৩ আসনের লুৎফুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
রাজশাহী-৪ আসনের আব্দুল বারী সরদারের প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী জানান, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ বাংলাদেশ রেলওয়ের অনুমোদিত ব্যবস্থা নয়। বিভিন্ন উৎসবে যাত্রীদের জোরপূর্বক ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করে যা কারওই কাম্য নয়। ছাদে যাত্রী বহন বন্ধ করতে কারিগরি দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রেলওয়ের প্রচলিত আইন অনুযায়ী দুর্ঘটনায় নিহত যাত্রীর পরিবার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিধান রয়েছে বলে মন্ত্রী জানান।
সংরক্ষিত আসনের শামছুন্নাহার বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রেল সেবাকে আধুনিক, যুগোপযোগী, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব করার লক্ষ্যে রেলওয়ের জন্য ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ সংগ্রহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর প্রথম চালানে ১৯টি ক্যারেজ চলতি মাসে পাওয়া যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এ ছাড়া ২০০টি মিটার গেজ ক্যারেজ সংগ্রহের জন্য ডিপিপি প্রণয়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে অযান্ত্রিক যান হিসেবে গণ্য করা হয়। আইন অনুযায়ী জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে সড়ক/মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করা হচ্ছে।