চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়া ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার। বাড়িভাড়া ও সার্ভিস চার্জের খরচ কম হওয়ায় তাঁদের এই টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। একজন হাজি সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬৪ হাজার ১৯০ টাকা ফেরত পাবেন।
আজ রোববার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। এই অনুষ্ঠানে ১০ জন হাজির হাতে রিফান্ডের চেক তুলে দেওয়া হয়। অন্য হাজিদের টাকা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে তাঁদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হজ প্যাকেজে সৌদি আরবে বাড়িভাড়ার জন্য নির্ধারিত বরাদ্দের চেয়ে কমে ভাড়া নেওয়া এবং সার্ভিস চার্জ কমানোয় এই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি মাধ্যমের ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজি ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা সরাসরি তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত পাবেন। ২৩ জন হাজির চিকিৎসা ব্যয় তাঁদের স্বাস্থ্যবিমার চেয়ে বেশি হওয়ায় তাঁরা এই অর্থ ফেরত পাবেন না।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের বিমানভাড়া আগের বছরের থেকে ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো হয়েছিল। ২০২৭ সালের হজের বিমানভাড়া আরও কমিয়ে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রিফান্ড পাঠাতে হাজিদের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের নম্বর বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পিন ও ওটিপির প্রয়োজন নেই। এসব চেয়ে কেউ ফোন করলে কেউ যাতে প্রতারিত না হন। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।