হোম > জাতীয়

আগে রিকশায় চড়তেন, এখন জুলাই চেতনা বিক্রি করে প্রাডোতে চড়েন: সংসদে বিএনপির এমপি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

অনেকেই জুলাই চেতনা বিক্রি করেন—এমন অভিযোগ তুলে বিএনপির সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বলেছেন, যাঁরা জুলাই চেতনা বিক্রি করেন, তাঁদের অনেকেই আগে রিকশায় চড়তেন, এখন প্রাডোতে চড়েন।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় ময়মনসিংহ-১০ আসনের (বিএনপি দলীয়) সংসদ সদস্য এসব কথা বলেন।

আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘আমরা জুলাই যুদ্ধ করেছি। আমি নিজেও করেছি। আমাদের এইখানে যাঁরা আছেন, অনেকেই জুলাই যুদ্ধ করেছেন, আমাদের সন্তানেরা করেছেন। কিন্তু অনেকেই জুলাই চেতনা বিক্রি করেন মাননীয় স্পিকার। আমরা জুলাই চেতনা বিক্রি করি না। আমরা জুলাইকে ধারণ করি। মাননীয় স্পিকার, জুলাই তো বিক্রি করার বিষয় না।’

আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘যারা এই জুলাই চেতনা বিক্রি করেন, মাননীয় স্পিকার, আমি অনুরোধ করব উনারা আগে কিসে চড়তেন, এখন কিসে চড়েন? কোন বাসায় থাকেন উনারা, মাঝেমধ্যে লাইভ করেন, কোন বাসায় থাকেন একটু লাইভ করলে এই জাতি দেখত। উনারা আগে কোথায় ছিলেন? এখন পরিবর্তনটা কী রকম হয়েছে?’

আক্তারুজ্জামান বলেন, বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি দ্রব্যের ওপর দাম কমানো হয়েছে। দুটি জিনিসের দাম বেড়েছে। একটা হলো সিগারেট, আরেকটা হলো মদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরোধী দলের বন্ধুরা এই যে বাজেটটিকে সারা দেশের মানুষ গ্রহণ করেছে। উনারা বলেন, চানাচুর মার্কা বাজেট। আমরা শুনেছি, চানাচুর বাচ্চারা খায়। আবার বড়রাও খায়, কখন? অন্য কিছু খাওয়ার পরে নাকি চানাচুর খায়। সে জন্য মন খারাপ কি না জানি না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক

ধানমন্ডিতে জামায়াতের সমাবেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সম্পাদক পরিষদের নিন্দা

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭২ জন

দেশে ইমাম ও মুয়াজ্জিনের পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই: সংসদে ধর্মমন্ত্রী

আগামী ৫০ বছরেও আ.লীগ ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ: বিএনপির এমপি

লাইসেন্সবিহীন ওয়াকিটকি ব্যবহারে কঠোর অবস্থানে বিটিআরসি

চীনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শুরু, সই হবে ১৫ সমঝোতা স্মারক

প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা ভারতের

দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার

দেশে নদীর সংখ্যা ১৪১৫, অবৈধ দখলদার ২২ হাজার